বার্তা সংস্থা এএফপি’র প্রতিবেদনে বলা হয়, রমজান মাসের গত দুই সপ্তাহে চালানো পৃথক হামলায় অনেক মানুষ নিহত ও আরো অনেকে আহত হয়েছে।
কাবুল পুলিশ জানায়, বাসে হামলায় এক নারী নিহত ও অপর তিনজন আহত হয়। মুসল্লিরা নামাজ আদায় করার সময় শুক্রবার একটি মসজিদে বোমা হামলায় ১০ জন নিহত হওয়ার কয়েকদিন পর রাজধানীতে দ্বিতীয় এ হামলা চালানো হল।
.png)
মসজিদে শুক্রবারের হামলার দায় কেউ স্বীকার না করলেও আইএস বাসে হামলা চালানোর দায়িত্ব স্বীকার করেছে।
আইএস সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে, বিশেষ করে সুন্নি সংখ্যাগরিষ্ঠ আফগানিস্তানের সংখ্যালঘু শিয়া ও সুফি সম্প্রদায়ের লোকজনকে লক্ষ্য করে অনেক হামলা চালানোর দাবি করে।
তালেবান কর্মকর্তারা জোরদিয়ে বলেন, তাদের বাহিনী আইএস’কে পরাজিত করেছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এ জিহাদি গ্রুপ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে কাবুল পুলিশ ঈদুল ফিতরের ছুটি চলাকালে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে।