সাধারণত ওই ট্রেন হাসানপুর স্টেশনে দুই মিনিটের জন্য থামে। গেল ২ মে সন্ধ্যায় দাঁড়িয়েছিল এক ঘণ্টা। যাত্রীদের প্রতিবাদের পরই চালকের নেশাগ্রস্ত থাকার কথা জানতে পারেন রেলের কর্মকর্তারা।
যাত্রীবাহী ওই ট্রেন বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে সমস্তিপুর স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করে এবং বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে হাসানপুরে পৌঁছায়। ট্রেনের শেষ গন্তব্য ছিল সহরসা। এ স্টেশনে সাধারণত রাত সাড়ে ৮টার মধ্যে পৌঁছায়।
.png)
হাসানপুর রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মনোজ কুমার চৌধুরী বলেন, যাত্রীরা রেলস্টেশনে বিক্ষোভ শুরু করলে আমরা চালকের কেবিনে যাই। সহকারী চালক করমবীর যাদব ওরফে মুন্না ইঞ্জিন রুম থেকে নিখোঁজ ছিলেন।
আরো পড়ুন: ‘ব্রিটেনকে সাগরে ডুবিয়ে দিতে একটি সারমাত ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট’
তিনি আরো বলেন, আমরা খবর পাই যে, হাসানপুর বাজারে এক ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ঝামেলা করছে। সেখানে পৌঁছে আমরা তাকে আটক করি। জানতে পারি তিনিই হাসানপুরের ওই ট্রেনের চালক করমবীর। তার কাছ থেকে অর্ধেক বোতল মদ উদ্ধার করা হয়েছে।
চালককে আটক করে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। ঘটনার পর, সমস্তিপুর জোনের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার অলোক আগরওয়াল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ডেকেছেন।
ভিসি রাজকুমার নামের এক ট্রেন চালক ছুটিতে ছিলেন। তবে ওই ট্রেনেই সহরসা যাচ্ছিলেন। করমবীর যাদবকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় খুঁজে পাওয়া যাওয়ার পরে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয় ট্রেনটি চালিয়ে নেওয়ার। সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে হাসানপুর স্টেশন ছেড়ে যায় ট্রেনটি।