চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এ ঘটনা ঘটলেও সম্প্রতি তুরস্কের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সির কাছে এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও এসেছে। এর পরই এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়।
ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ফ্রান্সের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি থানায় মেরটার কেসকিন (৩৬) নামে ওই তুর্কি যুবককে হাতকড়া পরিয়ে পুলিশ বেধড়ক পেটাচ্ছে।
.png)
পুলিশ হেফাজতে থাকাবস্থায় গত ১২-১৩ জানুয়ারির মধ্যে তার মৃত্যু হয়। সেই সময় ফ্রান্সের পুলিশ জানিয়েছিল— হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।
আরো পড়ুন>> ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘অভ্যুত্থান চেষ্টা’র অভিযোগ
একটি পারিবারিক মামলায় কেসকিনকে ১২ জানুয়ারি গ্রেফতার করে পুলিশ, ১৩ তারিখ তার মৃত্যু হয়। পুলিশ তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে হৃদরোগ উল্লেখ করলেও তখন তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়নি।
এসব বিষয় নিয়ে এখন পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে নিহত তুর্কি যুবকের পরিবার।