ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা সংক্ষিপ্তভাবে জিইউআর নামে পরিচিত। বুধবার টেলিগ্রামে সংস্থাটি জানায়, মুক্তি পাওয়া ইউক্রেনীয় সেনাদের বেশিরভাগই গুরুতরভাবে আহত। তাদের কেউ বন্দুকের গুলি, বিস্ফোরণের আঘাত, পোড়া, হাড় ভেঙ্গে যাওয়াসহ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত।
.png)
জানা গেছে, বন্দি বিনিময় নিয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তবে পূর্ব ইউক্রেনের স্ব-ঘোষিত দোনেতস্ক পিপলস রিপাবলিকের প্রধান বলেছেন, তারা নিজেদের যোদ্ধা এবং রুশ সেনাবাহিনীর সদস্যসহ ১৪৪ সেনার মুক্তি নিশ্চিত করেছে।
তিনি আরো বলেছেন, আমরা ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনীর একই সংখ্যক বন্দিকে কিয়েভের কাছে হস্তান্তর করেছি। এসব বন্দিদের বেশিরভাগই আহত ছিলেন। আরো শতাধিক ইউক্রেনীয় এখনো পূর্ব ইউক্রেনে রাশিয়া এবং তার মস্কোপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্তৃপক্ষের হাতে বন্দি রয়েছেন বলে মনে করা হয়। তবে তাদের সঠিক অবস্থান এখনো জানা যায়নি।
আরো পড়ুন: ‘সোনার চেইন’ চুরি করে পালাল পিঁপড়ের দল!
ইউক্রেন প্রশাসন প্রথম জানায়, ১৪৪ জন সেনাকে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে মারিউপোলের সেই আজভস্টাল স্টিল কারখানা থেকে আটক যোদ্ধাদের ৯৫ জন আছেন। যদিও প্রাথমিকভাবে রাশিয়া জানিয়েছিল, তাদের মুক্তি দেওয়া হবে না।
এমনকি রাশিয়ার আদালতে ওই যোদ্ধাদের বিচার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছিল। তাদের মৃত্যুদণ্ডের দাবিও তুলেছিল রাশিয়া। ফলে সেখান থেকে ৯৫ জনকে দেশে ফেরানো বড় জয় হিসেবেই দেখছে ইউক্রেন।
অন্যদিকে রাশিয়াপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ডেনিস পুশিলিন জানিয়েছেন, রাশিয়া এবং দোনেতস্ক পিপলস রিপাবলিকের ১৪৪ জন বন্দি যোদ্ধা দেশে ফিরেছেন। বিচ্ছিন্নতাবাদী যোদ্ধাদের ইউক্রেনের জেল থেকে ছাড়িয়ে নিতে পারাকে জয় হিসেবেই দেখছে রাশিয়া।