মঙ্গলবার জাতিসংঘের স্বাস্থ্যবিষয়ক এ সংস্থাটি বলে, সঠিক কৌশলের মাধ্যমে এ ভাইরাসের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের (সিডিসি) প্রকাশিত সবশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত বিশ্বের ৭৫টি দেশে ১৬ হাজার ৮০০ জনের বেশি মাঙ্কিপক্স রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
.png)
ডব্লিউএইচওর মাঙ্কিপক্স ভাইরাসবিষয়ক টেকিনিক্যাল লিড রোসামুন্ড লুইস বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, যথাযথ কৌশলের মাধ্যমে মাঙ্কিপক্সের প্রাদুর্ভাব থামানো যেতে পারে। কিন্তু সময় চলে যাচ্ছে। এটিকে থামানোর জন্য সবাইকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে।
এর আগে, গত শনিবার বিশ্বজুড়ে জরুরি স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করে ডব্লিউএইচও। ডব্লিউএইচওর জরুরি কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে মাঙ্কিপক্স ভাইরাস নিয়ে বৈশ্বিক সর্বোচ্চ স্বাস্থ্য সতর্কতা জারির সিদ্ধান্ত হয় ওইদিন।
রোসামুন্ড লুইস বলেছেন, এ ভাইরাস মোকাবিলায় ডব্লিউএইচও এখনো বৈশ্বিক সমন্বিত প্রক্রিয়া নির্ধারণে কাজ করছে। বিষয়টি বর্তমানে আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে।
পশ্চিম এবং মধ্য আফ্রিকায় সাধারণত সবচেয়ে বেশি দেখা গেলেও চলতি বছর সেই গণ্ডি পেরিয়েছে এ ভাইরাসটি। গত ৭ মে প্রথম একজন ইউরোপীয় নাগরিকের দেহে মাঙ্কিপক্স শনাক্ত হয়। নাইজেরিয়া থেকে ওই ব্যক্তি ইংল্যান্ডে ফিরে এসেছিলেন। বিশ্বে মাঙ্কিপক্সের চলমান প্রাদুর্ভাবে অন্তত পাঁচজন মারা গেছেন।
বিশ্বের ১৬টি দেশের ৫২৮ জন মাঙ্কিপক্স আক্রান্ত রোগীকে নিয়ে করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৯৫ শতাংশ রোগীর শরীরে যৌন কার্যকলাপের মাধ্যমে মাঙ্কিপক্স সংক্রমণ ঘটেছে।