বুধবার (২৭ জুলাই) বেইজিংয়ে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের তীব্র বিরোধিতা করছি।’
ঝাও লিজিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি বিষয়টি নিয়ে এগিয়ে যায় এবং চীনের দৃঢ় অবস্থানকে চ্যালেঞ্জ জানায়, তাহলে তাদের এর সব পরিণাম ভোগ করতে হবে।
.png)
পেলোসি যদি সত্যিই তাইওয়ানে যান, তাহলে তিনিই হবেন ১৯৯৭ সালের পর তাইওয়ানে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা।
এদিকে পেলোসির সম্ভাব্য তাইওয়ান সফর চীনের জন্য চূড়ান্ত সীমা অতিক্রম— এ আশঙ্কা থেকে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন এখনো সফরের অনুমোদন দেয়নি।
আরো পড়ুন>> চন্দ্রাভিযানে অলড্রিনের পরা সেই ‘স্পেস জ্যাকেট’ ২৭ কোটিতে বিক্রি
স্বায়ত্তশাসিত তাইওয়ানকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া প্রদেশ মনে করে চীন। দেশটির ইচ্ছা তাইওয়ানকে আবার মূল ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত করা। সে লক্ষ্যে প্রয়োজনে বল প্রয়োগ করতে চায় বেইজিং।
তাইওয়ানে পেলোসির সম্ভাব্য সফর শুধু চীনের মাথাব্যথার কারণই হয়নি, এটি একই সঙ্গে ভাবিয়েছে বাইডেন প্রশাসনকেও। স্পিকারকে পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে যেতে নিরুৎসাহ করার খবর পাওয়া গেছে।
দ্বীপরাষ্ট্রটিতে পেলোসির সফরের সম্ভাবনা নিয়ে গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছে জানতে চান সাংবাদিকরা। জবাবে তিনি বলেন, এটা ভালো পরিকল্পনা নয়।
আরো পড়ুন>> বিপদে পাশে থাকা বন্ধুর স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে ইলন মাস্ক!
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সফরের কোনো ঘোষণা দেননি পেলোসি এবং তাইওয়ানের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি অপরিবর্তিত রয়েছে।
এদিকে একটি সূত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের মধ্যে ফোনালাপ হতে পারে।
হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক মুখপাত্র জন কিরবি জানিয়েছেন, ফোনালাপে দুই নেতার মধ্যে তাইওয়ান, ইউক্রেন ও অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা–সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা হবে।
সূত্র: বিবিসি