মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন, মিয়ানমারের ওপর অন্যান্য দেশের চেয়েও চীন বেশি প্রভাব রাখতে পারবে। বিশ্বের অন্য দেশগুলোর প্রতিও আমরা একই আহ্বান জানাচ্ছি। আমরাও আরো চেষ্টা করবো।
আরো পড়ুন: রাজপথের বিক্ষোভ থেকে রাহুল গান্ধী আটক
.png)
তবে চীন এ ঘটনাকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে মন্তব্য করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিঝিয়ান বলেন, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে না চীন। চারজনের মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, মিয়ানমারের উচিত তাদের নিজস্ব আইন ও সংবিধান ব্যবহার করে সমস্যার সমাধান করা।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে গণতন্ত্রকর্মী কিয়াও মিন ইউ (এল) এবং আইনপ্রণেতা ফিও জেয়া থাও (আর) ছিলেন। সন্ত্রাসী কার্যকলাপের অভিযোগে গত জানুয়ারি থেকে এপ্রিলে অনুষ্ঠিত গোপন বিচারে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। বলা হয়েছে, তারা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সহায়তা করেছেন।
সূত্র: বিবিসি