পুলিশ জানায়, ঐ স্বামী তার স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার সন্দেহে ১২ জন সহযোগী নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে পুলিশ সদস্য হায়াতকে অপহরণ করে একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে যায়। সেখানে তারা তাকে মারধর করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে ফেলেন। এর মধ্যে নাক, কান ও ঠোঁট রয়েছে। পরে কনস্টেবলকে উদ্ধার করে দ্রুত ঝাং'র জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে, ঐ স্বামী গত মাসে কনস্টেবল হায়াতের বিরুদ্ধে নারীর উপর হামলা, চাঁদাবাজি এও পর্নোগ্রাফি ধারায় মামলা করেছিলেন।
.png)
ঐ স্বামী দাবি করেন, ছেলেকে হত্যার হুমকি দিয়ে তার স্ত্রীকে অবৈধ সম্পর্কে জড়াতে বাধ্য করেছিলেন কনস্টেবল কাসিম হায়াত। বেশ কয়েকবার যৌন সম্পর্ক স্থাপনেও বাধ্য করেন এবং সে মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করেন। পরে ভিডিও দিয়ে প্রায়ই ব্ল্যাকমেইল করা হতো ভুক্তভোগীর স্বামীকে।
এদিকে কনস্টেবলের নাক, কান এবং ঠোঁট কাটার পর গা ঢাকা দিয়েছেন অভিযুক্ত স্বামী ও তার সহযোগীরা। অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান চলমান রেখেছে পুলিশ।