ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

ফ্রান্সে দাবানল দেখে কাঁদলেন দমকল কর্মী, বললেন ‘সৃষ্টিকর্তার অপেক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭:৩৬, ১৪ আগস্ট ২০২২
ফ্রান্সে দাবানল দেখে কাঁদলেন দমকল কর্মী, বললেন ‘সৃষ্টিকর্তার অপেক
ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সের গিরোন্ডি ফায়ার বিভাগে ৩৪ বছর ধরে কাজ করছেন হার্ভ ট্রেনটিন। দাবানলে পোড়া বনের একাংশের পাশে গাল থেকে চোখের পানি মুছলেন তিনি। কান্না জড়িত কণ্ডে হার্ভ ট্রেনটিন বলেন, আমি দুঃখিত। এটি আমাদের বন। এটি নিজের চোখে পুড়তে দেখা খুবই বেদনাদায়ক।

শনিবার সকালে ট্রেনটন ও তার ছোট দমকল কর্মীদের দল ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলের বরডাউক্স শহরে আগুন নেভানোর কাঝে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি সেখানে থাকার প্রচেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছেন।

এ দমকল কর্মীর কাজই হচ্ছে আগুন লাগা বনের আগুন নেভানো। তিনি হাজার হাজার বছর ধরে আগুন নেভার কৌশল প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের দলটি তুলনামূলক ছোট।

Advertisement

ট্রেনটিন সড়কের পাশেই সমতল এলাকায় বড় হয়েছেন। তার পোড়া বাড়ির মাটিতে বসে আবেগপ্রবণ হয়ে কথা বলছিলেন।

তিনি বলেন, এটা আমার জন্য কষ্টদায়ক যে আমি এই বনকে আবার দেখতে পারব না। আমার বয়স ৫৩ বছর। কিন্তু এই বন পুনরায় হতে হলে ৩০ বছর লাগবে।

ট্রেনটিনের তিন বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। তিনি যখন বনের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেন তখন তার মেয়ের কথাও ভাবেন। তিনি গাছের ওপর দিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলেন, যা হবে তা আমাকে বিস্মিত করে দেবে। আমার ভবিষ্যতে গ্রীষ্মের মতো হবে বলে মনে হচ্ছে না।

এদিকে, বিভিন্ন বাড়ির আগুন নেভানোর পর নিজেদের ক্যাম্পে ফিরছিলেন দুবয়েসের নেতৃত্বাধীন একটি দল। তার দলের অন্যান্য সদস্যরা কয়েক দশক ধরে আগুন নিয়ন্ত্রণের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।

যখন তারা খেতে বসে তখন গত সপ্তাহে আগুন যা কেড়ে নিয়েছিলে তা নিয়ে আলোচনা করে।

হাউটি-গ্যারোনি অঞ্চলের আগুন নিয়ন্ত্রণ কৌশল বিভাগের প্রধান জেন পিরি লে কানফ বলেন, আমি ৪০ বছর ধরে দমকল কর্মী হিসেবে কাজ করছি। আমার জীবনে এমন দাবানল দেখিনি। দাবানল নিয়ন্ত্রণে আমার দুটি ছেলেও কাজ করছে। আমরা বৃষ্টি, তুষারপাত, শীতকাল ও সৃষ্টিকর্তার অপেক্ষা করছি।

সূত্র- বিবিসি

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!