রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, তিন হাজারের বেশি মানুষকে বাস্তুচ্যুত করতেই এ বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, গত মঙ্গলবার মায়াস্কো গ্রামের পাশে গোলাবারুদের স্টোরে কয়েকটি বিস্ফোরণে এলাকাটি কেঁপে উঠে। এতে ট্রেনসেবা ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হয়। যদিও এ বিস্ফোরণে মারাত্মকভাবে কেউ আহত হননি বলে জানিয়েছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
.png)
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে রাশিয়ার কমেরস্যান্ট পত্রিকা মঙ্গলবার জানায়, ক্রিমিয়া উপদ্বীপের ভারদেসকোয়ের রাশিয়ার সামরিক বিমান ঘাঁটিতে ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। এটিকে অন্য একটি নাশকতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
গত সপ্তাহে ক্রিমিয়ার একটি রুশ-চালিত বিমানঘাঁটিতে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের পর এ ঘটনাগুলো ঘটলো। তবে গত সপ্তাহের বিস্ফোরণের ঘটনাকে বিশেষ অভিযান হিসেবে ইউক্রেন ইঙ্গিত দিলেও মস্কোর পক্ষ থেকে সেগুলোকে দুর্ঘটনা হিসেবে বলা হয়েছিল।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাতে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাস জানায়, রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের সশস্ত্র দলের সামরিক সক্ষমতা ও যোগান কমে গেছে। তাই তারা নাশকতার হামলা চালিয়ে বেসামরিকদের অবকাঠামো ধ্বংস করে ফেলেছে।
ক্রিমিয়া অঞ্চলের মস্কোর সিনিয়র রিপ্রেজেন্টটেভস সার্জেই একেইওনভ বলেন, গোলাবারুদের ডিপোতে বিস্ফোরণের ঘটনায় দুইজন আহত হয়েছেন। এতে রেল চলাচল ব্নধ হয়ে যায়। এছাড়া হাজার হাজার মানুষ পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলো থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
তবে সার্জেই ক্রিমিয়ার বিস্ফোরণগুলোর কোনো কারণ উল্লেখ করেননি। যদিও ক্রিমিয়াকে ইউক্রেন যুদ্ধের সামরিক রসদ পাঠানোর অন্যতম পথ হিসেবে ব্যবহার করছে রাশিয়া।