ইউক্রেনে সেনা অভিযানের পরও রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রক্ষা করেছে মিয়ানমার।
সামরিক মুখপাত্র জ মিং তুন বলেন, রাশিয়ার কাছ থেকে পেট্রল আমদানি করার অনুমতি আমরা পেয়েছি।
.png)
তার দাবি, কম দাম আর ভালো মানের জন্য রাশিয়ার জ্বালানি বেছে নিয়েছেন তারা।
আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকে রাশিয়ার তেল মিয়ানমারে পৌঁছাতে শুরু করবে বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম।
গত মাসে রাশিয়ার সফরের সময় তেল গ্যাস নিয়ে আলোচনা করেছিলেন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান জেনারেল মিং অং হ্লাং। বর্তমানে সিঙ্গাপুর হয়ে জ্বালানি আমদানি করছে মিয়ানমার।