কারাগার থেকে যা বললেন সেই হামলাকারী
‘হামলার পর যখন জানতে পারলাম সালমান রুশদি বেঁচে আছেন তখন হতবাক হয়েছি।’ নিউইয়র্কে গত সপ্তাহে সালমান রুশদির ওপর হামলাকারী তরুণ হাদি মাতা এমন কথা বলেন।
এরই মধ্যে হাদি মাতার গ্রেফতার হয়েছেন। এ বিষয়ে কারাগার থেকে নিউইয়র্ক পোস্টকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন হামলাকারী। তিনি বলেন, আয়াতুল্লাহ খামেনিকে আমি শ্রদ্ধা করি। আমি মনে করি তিনি একজন মহান ব্যক্তি।
রুশদির বিতর্কিত বইটির মাত্র দুইটি পৃষ্ঠা পড়ার কথাও জানান হাদি।
তিনি বলেন, খামেনির দেওয়া কোনো ফতোয়া হামলা করতে তাকে প্ররোচিত করেনি। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ নেই। সালমান রুশদিকে আমি খুব বেশি পছন্দ করি না। তিনি ইসলামের ওপর হামলা করেছেন। তিনি মুসলিমদের বিশ্বাসে আঘাত করেছেন।
১৯৮৮ সালে প্রকাশিত রুশদির চতুর্থ বই স্যাটানিক ভার্সেস হলো সবচেয়ে বিতর্কিত কাজ, যা তাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নজিরবিহীন বিপদে ফেলে দেয়। বইটি প্রকাশের পর হত্যার হুমকি আসে, যা তাকে আত্মগোপনে যেতে বাধ্য করে। ব্রিটিশ সরকার তখন তাকে নিরাপত্তা দেয়।
১৯৮৯ সালে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনি রুশদির মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে ফতোয়া জারি করেন। এবার হামলার পর সেই ফতোয়া আলোচনায় এলো।