মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ এ তথ্য জানিয়েছে।
শুক্রবার রাতে স্থানীয় একটি হোটেলে ঢুকে বেশ কয়েকজনকে জিম্মি করে জঙ্গিরা। এরপর ২০ ঘণ্টা পার হলেও তাদের মুক্ত করতে পারেনি নিরাপত্তা বাহিনী।
.png)
মোগাদিশুর জনপ্রিয় হায়াত হোটেলে ঢুকে প্রথমে বিস্ফোরণ ঘটায় জঙ্গিরা। এরপর চলে এলোপাথাড়ি গুলি। এর আগে, দুটি বিস্ফোরকবোঝাই গাড়ি নিয়ে হামলা চালায় তারা।
গত মে মাসে হাসান শেখ মোহাম্মদস সোমালিয়ান প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দেশটিতে এটিই সবচেয়ে বড় হামলা।
এদিকে, এ হামলার দায় স্বীকার করেছে আল-কায়েদা ঘনিষ্ঠ আল শাবাব গোষ্ঠী। গোয়েন্দা কর্মকর্তা মোহাম্মদ স্থানীয় সময় শনিবার সকালে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, এখন পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছিল। তারা সবাই সাধারণ মানুষ।
পরে আরো একজনের মৃত্যুর খবর জানি মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। জঙ্গিরা হোটেলের তিনতলায় বেশ কয়েকজনকে জিম্মি করে রেখেছিল। পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। গ্রেনেড ছুড়ে হোটেল থেকে বন্দিদের উদ্ধারের চেষ্টা করে তারা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সেনাবাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের সংঘর্ষে হোটেলের বড় একটি অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে। ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে হোটেল থেকে কালো ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়।
গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সোমালি সরকারের পতনের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে আল শাবাব। সরকার উৎখাত করে দেশটিতে তথাকথিত শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠা করতে চায় তারা।
সোমালিয়ার আইনপ্রণেতা, সরকারি কর্মকর্তা ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কাছে জনপ্রিয় ও নিরাপদ জায়গা হিসেবে পরিচিত ছিল হায়াত হোটেল। তাদের মধ্যে কেউ হোটেলটিতে জিম্মি ছিলেন কিনা তা এখনো পরিষ্কার নয়।