গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ সৈন্যরা। এরপর থেকে পশ্চিমা বিশ্ব রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যে বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশ ও কোম্পানি মস্কো থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়ায় বাণিজ্যিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে রাশিয়ায়। এ শূন্যতা পূরণে তুরস্কের কোম্পানিগুলো বসন্তের পর থেকে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য ব্যাপক বৃদ্ধি করেছে।
রিফিনিটিভ ইকনের তথ্যানুযায়ী, রাশিয়া থেকে ইউরাল এবং সাইবেরিয়ান লাইট গ্রেডসহ অন্যান্য তেলের আমদানি বাড়িয়েছে তুরস্ক। চলতি বছরের এখন পর্যন্ত প্রতি দিন ২ লাখ ব্যারেলের বেশি রাশিয়ান তেল আমদানি করছে দেশটি। গত বছরের এ সময়ে রাশিয়া থেকে তুরস্কের দৈনিক তেল আমদানির পরিমাণ ছিল মাত্র ৯৮ হাজার ব্যারেল।
.png)
ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের অভিযোগে রাশিয়ার বিরুদ্ধে কোনোও ধরনের নিষেধাজ্ঞা দেয়নি তুরস্ক। আঙ্কারা বলছে, তারা রাশিয়ার জ্বালানি সরবরাহের ওপর নির্ভরশীল।
চলতি মাসের শুরুর দিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের সাক্ষাৎ হয়। ঐ সময় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সহযোগিতা আরো জোরদারের বিষয়ে সম্মত হন তারা।
রিফিনিটিভ ইকনের পরিসংখ্যান বলছে, তুরস্কের প্রধান শোধনাগার তুপ্রাস এবং আজারবাইজানের শোধনাগার সোকার স্টার এ বছর রাশিয়ান ইউরাল এবং সাইবেরিয়ান লাইট তেলের আমদানি ব্যাপক পরিমাণে বৃদ্ধি করেছে। এর বিপরীতে উত্তর সাগর, ইরাকি এবং পশ্চিম আফ্রিকান গ্রেডের তেলের ক্রয় কমিয়ে ফেলেছে তারা।