শনিবার (৮ অক্টোবর) দুই সপ্তাহের মধ্যে সপ্তমবার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায় উত্তর কোরিয়া। এদিনও দুইটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ে দেশটি।
মহড়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক ঘাঁটি, বন্দরসহ বিমানবন্দরে সফলভাবেই আঘাত করার অনুশীলন করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ -এর এক প্রতিবেদনে। বলা হয়েছে, এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য সতর্কবার্তা।
.png)
কেসিএনএ’র প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, দেশটির নেতা কিম জং-উন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ করছেন এবং নির্দেশনা দিচ্ছেন।
উত্তর কোরিয়া জানায়, পারমাণবিক যুদ্ধে শক্তির কার্যকারিতা ও বাস্তব যুদ্ধ ক্ষমতা সম্পূর্ণরূপে প্রদর্শিত হয়েছে। কারণ এটি যে কোনো স্থান থেকে যে কোনো সময় লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত ও ধ্বংস করতে সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত।
আরো পড়ুন>> চীনের সঙ্গে যুদ্ধ চায় না তাইওয়ান
কিমের উদ্ধৃতি দিয়ে কেসিএনএ জানায়, যদিও শত্রুরা আলোচনার কথা বলে যাচ্ছে। তবে এ বিষয়ে আমাদের অলোচনার কিছু নেই, এমনকি প্রয়োজনও নেই।
যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলে আসছেন, ২০১৭ সালের পর প্রথমবারের মতো শিগগিরই একটি পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা চালাতে পারে উত্তর কোরিয়া।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, উত্তর কোরিয়া প্রথমবারের মতো ছোট একটি ট্যাকটিক্যাল ডিভাইসের বিস্ফোরণ ঘটানোর সুযোগও নিতে পারে, যা দেশটির পরীক্ষা চালানো ক্ষেপণাস্ত্রে বহনের উপযোগী হবে।
সূত্র: বিবিসি