২২ দেশের ওপর চালানো জরিপ থেকে এ তথ্য পেয়েছে সংস্থাটি।
সোমবার ইউনিসেফ জানায়, ইউক্রেনে যুদ্ধের ফলে র্অথনৈতিক সংকট তৈরি হওয়ায় শিশুরা বিশাল সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও মুদ্রাস্ফীতির ফলে পূর্ব ইউরোপ এবং মধ্য এশিয়ার ৪০ লাখের শিশু দারিদ্র্যতার পড়েছে। এটি ২০১৯ সাল থেকে ১৯ শতাংশ বেড়েছে।
.png)
ইউনিসেফ জানায়, প্রতিবেশী রাষ্ট্র ইউক্রেনে রাশিয়ার অভিযানের পর উভয় দেশের শিশুরা দারিদ্র্যতার কবলে বেশি পড়েছে।
ইউনিসেফের ফান্ড জানায়, পূর্ব ইউরোপ অঞ্চলে ইউক্রেন যুদ্ধ ও জীবনযাপনের খরচ সংকটের জন্য ৩০ লাখ শিশু দারিদ্রতার কবলে পড়ার পেছনে দায়ী রাশিয়া। এছাড়া ২৮ লাখ শিশু দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে।
সংস্থাটি জানায়, ইউক্রেন হামলার জেরে রাশিয়ার ওপর পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞার পর দেশটির অর্থনীতিতে আঘাত আসে। সেই আঘাত রাশিয়ার জনগণের ওপর বিশাল প্রভাব ফেলেছে।
ইউনিসেফ বলছে, যুদ্ধের প্রভাবে ইউক্রেনের পাঁচ লাশ শিশু দারিদ্র্যতার কবলে পড়েছে। এরপরই রোমানিয়ার ১ লাখ ১০ হাজার শিশু দারিদ্র্যতায় ভুগছে।
ইউনিসেফের ইউরোপ ও মধ্য এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক আফসানা খান বলেন, যুদ্ধের দামামায় বিশ্বের অঞ্চলের শিশুরা ভুক্তভোগী হচ্ছে। যদি আমরা এ মুহূর্তে তাদের সহযোগিতা না করি, তবে তারা নিশ্চিত মারা যাবে, শিক্ষার সুযোগ ও ভবিষ্যত হারাবে। শিশুরাই সহিংসতা, বিস্ফোরণ ও নির্যাতনের সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।
ইউনিসেফ বলছে, চলতি বছরে সহিংসতা, বিস্ফোরণ এবং নির্যাতনের কারণে জন্মের প্রথম বছরেই সাড়ে চার হাজার শিশু মারা যাবে এবং ১ লাখ ১৭ হাজার শিশু বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়বে। এসব বিষয় প্রতিরোধ করতে বৈশ্বিক অর্থের লাভ, সামাজিক ব্যয় প্রতিরোধসহ বিশাল আকারের পদক্ষেপ নিতে হবে। বিশেষ করে বেশি নাজুক শিশু ও তার পরিবারের দিকে নজর দিতে হবে।
আফসানা খান বলেন, কঠোর ব্যবস্থাপনা শিশুদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করবে। এতে শিশুদের আরো দারিদ্র্যতার দিকে ধাবিত করছে। পাশাপাশি যেসব পরিবার এরই মধ্যে সংগ্রাম করছে, তারাও বেকায়দায় পড়বে। তাই অবস্থা খারাপের দিকে যাওয়ার আগে নাজুক অবস্থায় থাকা পরিবারগুলোতে সামাজিক সর্মথন বাড়িয়ে তাদের রক্ষা করতে হবে।