ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

৫২ বছরের শিক্ষকের সঙ্গে ২০ বছরের ছাত্রীর প্রেম!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬:১৯, ৩১ অক্টোবর ২০২২
৫২ বছরের শিক্ষকের সঙ্গে ২০ বছরের ছাত্রীর প্রেম!
সাজিদ আলি ও জোয়া নুর - ফাইল ছবি

প্রেম মানে না কোনো বাধা ও যুক্তি। তারই এক নতুন নিদর্শন গড়লেন পাকিস্তানের এক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী। দু’জনের বয়সের পার্থক্য ৩২ বছরের। তবুও তারা আগামী দিনে এক সঙ্গে পথচলার জন্য একে অপরের হাত ধরেছেন।

২০ বছর বয়সী জোয়া নুর বি.কমের ছাত্রী। ৫২ বছর বয়সী সাজিদ আলি তার শিক্ষক। পড়তে পড়তেই শিক্ষককে মন দিয়ে ফেলেন জোয়া। সাজিদের ব্যক্তিত্ব আকৃষ্ট করে তাকে। তাই বয়সের পার্থক্যকে তুড়ি মেরে প্রেমের জোয়ারে নিজেকে ভাসিয়ে দেন এই তরুণী।

তবে হুট করেই জোয়ার প্রেমে পড়েননি পঞ্চাশোর্ধ্ব সাজিদ। তিনি প্রথম দিকে ছাত্রীর প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। কিন্তু জোয়ার প্রেমের টানে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারেননি সাজিদ। শেষমেশ তিনিও প্রেমে হাবুডুবু খান। আর তারপরই দুজনের চার হাত এক হয়। এক ইউটিউবারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজেদের প্রেমের কাহিনি শুনিয়েছেন জোয়া ও সাজিদ।

Advertisement

আরো পড়ুন>> ১০০ বগি নিয়ে ছুটে রেকর্ড গড়লো সুইজারল্যান্ডের ট্রেন

জোয়া জানিয়েছেন, কলেজেই সাজিদকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু প্রথমে তা প্রত্যাখ্যান করেন সাজিদ। ‘আমাদের মধ্যে ৩২ বছরের পার্থক্য। আমরা বিয়ে করতে পারি না’, জোয়াকে এ কথা বলেছিলেন সাজিদ।

তবে মনের মানুষকে কাছে পেতে নাছোড়বান্দা মনোভাব ছিল জোয়ার। তাই প্রাথমিকভাবে তার প্রস্তাব সাজিদ ফিরিয়ে দিলেও তিনি ভেঙে পড়েননি। আবার ছাত্রীকে বিয়ে করা নিয়ে সাজিদেরও কোনো গোঁড়ামি ছিল না। সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য এক সপ্তাহ সময় নিয়েছিলেন সাজিদ।

বিয়ের বিষয়ে দুজনের পরিবার থেকেই আপত্তি ওঠে। কিন্তু কোনো বাধাই তাদের প্রেমে পরিণতি ঠেকাতে পারেনি। বর্তমানে সুখেই সংসার করছেন তারা।

সূত্র: টাইমস নাও

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!