ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য বিহারে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৩ সেপ্টেম্বর বিহারের মুজাফফরপুর জেলার বেরিয়ারপুর গ্রামের বাসিন্দা সুনীতা দেবী স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। তার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অস্ত্রোপচারের পরই সুনীতার শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হয়। পরে দ্রুত তাকে শ্রীকৃষ্ণ মেডিকেল কলেজে ভর্তি করানো হয়। সেখানকার চিকিৎসকরা জানান, সুনীতার দু’টি কিডনির একটিও নেই। চিকিৎসা হিসেবে ডায়ালিসিস করানোর জন্য তাকে পাটনা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়।
.png)
৩৮ বছর বয়সী এ নারীর অভিযোগ, অস্ত্রোপচার করে জরায়ু বাদ দেওয়া দূরে থাক, রোগীর দু’টি কিডনিকেই বাদ দেন চিকিৎসকরা। সেই কিডনি জোড়া কোথায়, তা জানেন না খোদ রোগী ও রোগীর স্বজনরাই!
এরপরই রোগীর পরিবার ঐ বেসরকারি হাসপাতাল ও তার মালিক পবন কুমারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করে। তারা পুলিশের কাছে অভিযুক্ত চিকিৎসককে গ্রেফতার করার দাবি জানান। একইসঙ্গে শাস্তিস্বরূপ অভিযুক্ত চিকিৎসকের দু’টি কিডনি ভুক্তভোগী রোগীকে দেওয়ার দাবি জানান।