এপির প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠভাবে হারার পর ক্ষমতাসীন দল ডেমোক্রেটিক প্রোগ্রেসিভ পার্টির প্রধানের পদ থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সাই।
তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করা প্রতিদ্বন্দ্বী চীনের হুমকিতে স্থানীয় বিষয়গুলো নির্বাচনে প্রভাব ফেলায় দলটির পরাজয়ে ভূমিকা রেখেছে।
.png)
দলের নির্বাচনী প্রচারণায় সাই অনেকবার চীনের বিরোধিতা এবং তাইওয়ানকে রক্ষার কথা বলেছেন। কিন্তু রাজধানী তাইপে-তে তার দলের প্রার্থী চেন শিহ-চুং মেয়র পদে পরাজিত হয়েছেন। কারণ তিনি স্থানীয় ইস্যুগুলোতে যাওয়ার আগে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির হুমকির বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েছেন।
সাই বলেন, দলীয় প্রার্থীদের পরাজয়ের সব দায়বদ্ধতা কাঁধে নিয়েছি। এমন ফলাফলের মুখোমুখি হওয়ায় অনেক বিষয়ে গভীরভাবে কাজ করতে হবে।
এ নির্বাচনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও ক্ষমতাসীন দল চীনের হুমকির বিষয়টির সংযোগ স্থাপন করতে চেয়েছিল। তবে স্থানীয় বিশেষজ্ঞরা নির্বাচনে চীনের ভূমিকা কথা তেমন চিন্তা করছেন না।
ন্যাশনাল তাইওয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ইয়েহ লিহ ওয়াং বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এটিকে অনেক উচ্চতায় নিয়েছে। স্থানীয় নির্বাচনকে তারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরেছেন। নির্বাচনী ক্যাম্পেইনের সময় মার্কিন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইপে সফর ঘিরে চীনের বিশাল আকারের সামরিক মহড়ার কথা কম উত্থাপন করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, যদি আপনি তাইপে-তে ইস্যু জাগাতে না পারেন তবে দক্ষিণের শহরে বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত নয়।
তাইওয়ানের রাজধানী তাইপে ছাড়াও তাওইয়ান, তেইচাং ও নিউ তাইপে সিটি থেকে বিরোধী দল ন্যাশনাল পার্টি থেকে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তাই বেশ বেকায়দায় পড়েছে ক্ষমতাসীন দল।
তাইপের নতুন মেয়র ওয়া এন শনিবার রাতে বিশাল র্যালিতে তার বিষয় ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, আমি বিশ্বকে তাইপের মহৎ দেখাব।