রোববার (২৭ নভেম্বর) হাসাপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে বহিস্কার করে। তবে ঘটনাটি ছিল গত মাসের শেষের দিকের।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, বহিষ্কার হওয়া ওই ইসরায়েলি চিকিৎসকের নাম আহমেদ মাহাজনা। তিনি ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত।
.png)
তেল আবিব-ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ফিজিশিয়ান ফর হিউম্যান রাইটস (পিএইচআর) জানায় যে বর্ণবাদী, জাতীয়তাবাদী ও লোকরঞ্জক বলির পাঠা’র শিকার হয়েছেন তিনি।
পিএইচআর জানায়, গত অক্টোবর মাস জেরুসালেমে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে আহত হন কিশোর আহমেদ আবু কুতাইশ। গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশ হেফাজতে তাকে জেরুসালেমের মাদাসাহ মেডিক্যাল সেন্টারে ভর্তি করা হয়। সে সময় হাসপাতালের স্টাফরা একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে যাতে রোগীরা একটু মানসিক প্রশান্তি পায়।
আরো পড়ুন>> ৫১ বছর পর মেয়েকে খুঁজে পেলেন মা!
অনুষ্ঠানে আবু কুতাইশকে ফুল ও মিষ্টিসহ কিছু স্ন্যাকস দেন ডা. মাহাজনা ও দু’জন স্টাফ। ঘটনাটি নজর এড়ায়নি হাসপাতালের কর্মকর্তাদের। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করে। পরে কর্তৃপক্ষ একটি বিবৃতিতে, ডা. মাহাজনার বিরুদ্ধে ‘উগ্রবাদীর প্রতি সহানুভূতি’ দেখানোর অভিযোগ এনে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। পরে ঘটনাটি নিয়ে শুনানি হয়।
সংস্থাটি টুইটারে জানায়, ‘হাসপাতালের রোগী ও সহকর্মীরা তাকে একজন যত্নশীল ও নিবেদিতপ্রাণ হিসেবে জানেন। তো এই ধরণের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।’
তবে গত রোববার ডা. আহমেদ মাহাজনা আনুষ্ঠানিকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে মাহাজনার পরিবার বলেছে, তারা ইসরায়েলে ইউরোপের কূটনীতিকদের কাছে বিষয়টি উত্থাপন করবে।
সূত্র: সিয়াসাত ডেইলি, মিডল ইস্ট মনিটর