বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) দেশটির সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফের বার্ষিক প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে এক বক্তব্যে এ তথ্য জানিয়েছেন বিএসএফের ডিজি পঙ্কজ কুমার সিংহ।
তিনি জানান, পাকিস্তান সীমান্তে ড্রোনের আনাগোনা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই ব্যবস্থা। তবে পাকিস্তান সীমান্তে ড্রোন রোখা এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে ভারত।
.png)
পাঞ্জাব ও জম্মুতে ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্ত রক্ষার দায়িত্বে রয়েছে বিএসএফ। তারা জানায়, সীমান্তে সুরক্ষাব্যবস্থা আগের চেয়ে বেশি বৃদ্ধি পাওয়ায় ড্রোনের মাধ্যমে মাদক ও অস্ত্র পাঠানোর কৌশল নিয়েছে চোরাকারবারি ও আইএসআই।
আরো পড়ুন>> স্পেনে ইউক্রেন দূতাবাসে ‘চিঠি বোমা’ বিস্ফোরণ
বিএসএফ জানায়, পরিসংখ্যান অনুযায়ী জম্মু ও পাঞ্জাবে ৭৯টি ড্রোন চিহ্নিত করা হয়েছিল ২০২০ সালে। গত বছর ১০৯টি এবং এ বছর প্রায় ২৭০টি ড্রোনকে চিহ্নিত করা হয়।
পঙ্কজ কুমার বলেন, ‘গত বছর যেখানে একটি ড্রোনকে গুলি করে নামানো হয়েছিল, সেখানে এ বছর নামানো হয়েছে ১৬টি ড্রোন।’ ড্রোনের আকারও বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিএসএফ আরো জানায়, স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার অমৃতসর সীমান্তে বিএসএফের এক নারী প্রহরী একটি ড্রোন গুলি করে নামান। যার ওজন ছিল ১৮ কেজি। যেটি প্রায় তিন কেজি মাদক নিয়ে পাকিস্তান থেকে ভারতে উড়ে যায়।
সূত্র: আনন্দবাজার