পেরুর সুপ্রিম কোর্টের একটি বিচারকদের প্যানেল পেদ্রোকে তদন্তকালীন বন্দির রাখার এ নির্দেশ দেন। এ সিদ্ধান্ত পেদ্রোর বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগের দিকে স্পর্শ করেনি। কিন্তু প্যানেলটি সাবেক প্রেসিডেন্টের দেশ ছাড়ার আশঙ্কা করছেন।
এদিকে,পেদ্রোর মুক্তির দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলন শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত আন্দোলনে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। আন্দোলনে বিক্ষোভকারীরা ব্যানার, ফেস্টুন দিয়ে নতুন প্রেসিডেন্ট ডিনা বলোয়ারতির সমালোচনা করেন।
.png)
পেরুতে জাতিসংঘের হাইকমিশনের মানবাধিকার অফিসের কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, পেরুতে সহিংসতা বাড়ার কারণে আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। আমরা বিক্ষোভে ১৫ জন নিহত হওয়ার জন্য সমবেদনা জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে পরবর্তীতে সবধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে জাতিসংঘের নিয়ন্ত্রণ নীতি অনুযায়ী শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে পেরুরি মানবাধিকার সংগঠন ওমবাডসম্যান দফতর এক বিবৃতিতে জানায়, অতি দ্রুত সেনাবাহিনীকে অস্ত্র ব্যবহার ও টিয়ারগ্যাস বোম্ব ছোড়া থেকে সরে আসার দাবি করছি।