বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, মস্কোর প্রতিবেশী দেশ বেলারুশ সস্তা তেল ও ঋণের জন্য রাশিয়ার ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল। তাই বছরের পর বছর ধরে বেলারুশের সঙ্গে একীভূতকরণকে আরো গভীর করার চেষ্টা করেছে ক্রেমলিন। কিন্তু দেশটির শক্তিশালী নেতা আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো রাশিয়ার প্রধান মিত্র হওয়া সত্ত্বেও মস্কোর সঙ্গে সম্পূর্ণ একীকরণকে প্রতিরোধ করে আসছেন। রাশিয়ার দখলদারিত্ব নিয়ে সমালোচকদের কাছ থেকে বেলারুশ দখলের গুজব শোনা যায়।
তবে তা উড়িয়ে দিয়েছেন পুতিন। রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘রাশিয়ার কাউকে দখল করে নেয়ার কোনো আগ্রহ নেই, এর কোনো মানে হয় না।
.png)
‘অভিন্ন ইতিহাস ও আধ্যাত্মিক মূল্যবোধের মাধ্যমে একত্রিত ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং কৌশলগত অংশীদারদের মধ্যে সম্পর্ককে স্বাগত জানিয়েছেন পুতিন। তিনি বলেন, বন্ধুত্বহীন দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞাগুলোকে আমরা একসঙ্গে মোকাবিলা করছি এবং আমরা এটি বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ও কার্যকরভাবেই করি।
রাশিয়া ও বেলারুশ ‘সব ক্ষেত্রে’ সহযোগিতা জোরদার করতে সম্মত হয়েছে বলেও জানান রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট। এর মধ্যে সামরিক খাতও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া দুই দেশ ‘উভয় দেশের নিরাপত্তার জন্য যৌথ ব্যবস্থা’, অবিরত যৌথ প্রশিক্ষণ ও ‘পারস্পরিক অস্ত্র সরবরাহ’ করার বিষয়েও সম্মত হয়েছে।
পুতিন বলেন, রাশিয়া বেলারুশিয়ান ক্রুদের এমন বিমান চালানোর প্রশিক্ষণ দেবে যা পারমাণবিক হেড বহন করতে পারে।
অন্যদিকে, বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো বলেন, আমরা সেই বিমানগুলো পরীক্ষা করেছি এবং এটি কারো জন্য হুমকি নয়। বেলারুশিয়ান নেতা রাশিয়ার সঙ্গে তার দেশের সম্পর্কেরও প্রশংসা করেছেন।
লুকাশেঙ্কো বলেন, রাশিয়া আমাদের ছাড়া কোথাও যেতে পারবে না, আমরাও রাশিয়া ছাড়া কিছুই করতে পারব না। এ সময় তিনি যুক্তি দিয়ে বলেন, আমরা কী রাশিয়াকে ছাড়া আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে সক্ষম? না!