দেশটির পরিবার ও সামাজিক পরিষেবা বিষয়ক মন্ত্রণালয় সংবাদমাধ্যম সিএনএন’কে জানিয়েছে এ তথ্য।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা থেকে এ পর্যন্ত ২৬৩ জন শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে, যাদের মাতা-পিতা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা নিহত হয়েছেন। সামনের দিনগুলোতে এই সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা আছে।
.png)
এই ২৬৩ জন শিশুর মধ্যে আহত ১৬২ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, বাকি ১০১ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান শেষে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সেফ হোমে রাখা হয়েছে।
আরো পড়ুন>> হামলার নির্দেশনা দেয় যুক্তরাষ্ট্র, স্বীকারোক্তি ইউক্রেনের কর্মকর্তা
মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, ধ্বংসাবশেষের নিচ থেকে শিশুকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে, কিন্তু মা-বাবা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের পাওয়া যাচ্ছে মৃত অবস্থায়; ব্যাপারটি খুবই হৃদয়বিদারক।’
এর বাইরে গত প্রায় ৫ দিনে মোট ১৮ জন শিশুকে তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
সোমবার স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে তুরস্ক ও তার প্রতিবেশী দেশ সিরিয়া। ওই ভূমিকম্পের ১৫ মিনিট পর ৬ দশমিক ৭ মাত্রার আরো একটি বড় ভূমিকম্প এবং পরে আরো অনেকগুলো আফটারশক হয়।
আরো পড়ুন>> এবার ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে উদ্ধার হল জীবিত কুকুরছানা
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তাৎক্ষণিক এক বিবৃতিতে বলা হয়, তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলীয় কাহরামানমারাস প্রদেশের গাজিয়ানতেপ শহরের কাছে ভূপৃষ্ঠের ১৭ দশমিক ৯ কিলোমিটার গভীরে ছিল ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল।
ভূমিকম্পে ইতোমধ্যে তুরস্ক ও সিরিয়ায় মৃতের সংখ্যা ২২ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়া দুই দেশে আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৮০ হাজার মানুষ।