সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওর বরাত এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম মিডেল ইস্ট আই, জিও নিউজ ও তুর্কি পোস্ট।
খবরে বলা হয়, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের বসবাসের জন্য বানানো অস্থায়ী এক ক্যাম্পে আসেন সেই বৃদ্ধ। সেখানে তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ওমরায় যাওয়ার জন্য তার জমানো টাকা ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় দান করেন। এই মুহুর্তে তাকে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়।
.png)
খবরে আরো বলা হয়, তিনি জমানো এই টাকায় এ বছর ওমরায় যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এর মাঝে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য সহায়তা তহবিল গঠনের আহ্বান জানানো হলে তিনি তার ওমরার জন্য জমানো টাকা দান করে দেন।
প্রসঙ্গত, গত ৬ ফেব্রুয়ারির ভূমিকম্পে তুরস্ক এবং সিরিয়ায় ৪৬ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। তবে এই প্রাণহানির সংখ্যা আরো অনেক বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্মরণকালের ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে কেবল তুরস্কেই ৩ লাখ ৪৫ হাজারের মতো অ্যাপার্টমেন্ট ধ্বংস হয়েছে। এখনো অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। তবে ভূমিকম্পের পর থেকে ঠিক কতসংখ্যক মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন সেবিষয়ে কোনো পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি তুরস্ক এবং সিরিয়া।
রোববার তুরস্কের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এএফএডির ভূমিকম্প ও ঝুঁকি হ্রাস বিভাগের মহাপরিচালক ওরহান তাতার বলেছেন, পূর্ব আনাতোলিয়ান ফল্টটি পাঁচটি ভিন্ন শাখায় বিভক্ত হয়ে গেছে। কেবল মালাটিয়া প্রদেশেই ২৫ কিলোমিটার ফাঁটল পরিমাপ করা হয়েছে।
ভূপৃষ্ঠের ওপর প্রায় ৪০০ কিলোমিটার ফাটল দেখা দিয়েছে। এর ফলে ভূ-ত্বকে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে। তুরস্কে ভূমিকম্পে সবচেয়ে বড় যে ফাটলটি ধরা পড়েছে সেটি ৭ দশমিক ৩ মিটার প্রশস্ত; এর গভীরতা আট থেকে ৯ কিলোমিটার।
সূত্র : মিডেল ইস্ট আই, জিও নিউজ, তুর্কি পোস্ট