মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) উদ্ধার করা ওই সাবমেরিনটির মাধ্যমে কলম্বিয়া থেকে স্পেনে মাদক পাচার করা হচ্ছিল বলে ধারণা পুলিশের।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদক পাচার করে ফেরার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে সাবমেরিনটি। তাই সেটিকে ছেড়ে সবাই পালিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
.png)
এখনো সাবমেরিনের মালিক বা চালক কারো পরিচয় জানা যায়নি এবং কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারও করা হয়নি।
আরো পড়ুন>> কর্মীদের বাধার মুখে ইমরান খানকে গ্রেফতারে ব্যর্থ পুলিশ
কোস্ট গার্ডের সহায়তায় পুলিশ সাবমেরিনটি সৈকতে নিয়ে আসে। সাবমেরিনটি ৪৯ থেকে ৭২ ফুট লম্বা। বেশির ভাগ অংশই ফাইবার গ্লাস দিয়ে তৈরি। প্রপেলার কাদায় আটকে যাওয়ার ফলেই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। হাওয়ার প্রেশার তৈরি করে সাবমেরিনটিকে তোলার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে স্পেনে এমনই আরেকটি সাবমেরিন উদ্ধার করা হয়েছিল। সেটি থেকে তিন টন কোকেন উদ্ধার করা হয়েছিল। সাবমেরিনের ক্রুদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। তারা ছিল ইকুয়েডরের নাগরিক।
পুলিশ জানিয়েছে, নিয়মিত মাদক পাচার হয় এই রাস্তা দিয়ে। সাবমেরিন ট্র্যাক করা মুশকিল বলে ইদানীং মাদক পাচারকারীরা এই রাস্তা বেছে নিয়েছে।
সূত্র: ডয়চে ভেলে