একটি জাপানি দৈনিক পত্রিকায় বলা হয়েছে, জাপানের সেম্বোকু শহরের একটি ভেন্ডিং মেশিন থেকে স্থানীয় কালো ভালুকের বিভিন্ন সাইজের মাংস বিক্রি করা হচ্ছে।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, প্রায় ২২০০ ইয়েন বা ১৭ মার্কিন ডলার খরচ করে গ্রাহকরা প্রতি ২৫০ গ্রাম চর্বিযুক্ত বা চর্বিহীন মাংস কিনতে পারেন বলে মাইনিচি শিম্বুন রিপোর্ট করেছে। কেজি হিসেবে বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্য ৭ হাজার টাকারও অধিক।
.png)
উত্তরাঞ্চলীয় আকিতা প্রিফেকচারের সেম্বোকুতে সোবা গোরো রেস্তোরাঁর মাধ্যমে পরিচালিত ভেন্ডিং মেশিন থেকে সপ্তাহে ১০-১৫ প্যাক ভালুকের মাংস বিক্রি করা হয়। মূলত নিকটবর্তী পাহাড়ে স্থানীয় শিকারিরা যেসব ভালুক শিকার করেন, সেটির মাংসই এখানে বিক্রয় করা হয়। তবে শিকারের মৌসুম শেষ হয়ে গেলে এর স্টকও শেষ যায়।
আরো পড়ুন>> নেদারল্যান্ডসে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৩০
জাপানে ভেন্ডিং মেশিন সাধারণত জিদোউ হানবাইকি বা জিহানকি নামে পরিচিত। গত শতাব্দীর ১৯৬০ এর দশকে এগুলো জাপানে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
জাপানে লাইসেন্সপ্রাপ্ত শিকারিদের গুলি করে ভালুক হত্যার অনুমতি রয়েছে। তবে উপাদেয় খাবার হিসেবে বিবেচিত হওয়া সত্ত্বেও টোকিওর প্রায় সব রেস্তোরাঁয় এই প্রাণীর মাংস পাওয়া যায় না।
গত নভেম্বরে ভালুকের মাংস বিক্রির মেশিনটি ইনস্টল করা হয়। অপারেটররা বলছেন, মেশিন ইনস্টল করার পর থেকে টোকিওর পার্শ্ববর্তী কান্টো অঞ্চল থেকেও ভালুকের মাংসের খোঁজ করা হচ্ছে।
সোবা গোরোর এক প্রতিনিধি মাইনিচি শিম্বুনকে বলেন, ‘(ভালুকের) মাংসের স্বাদ ভালো এবং এটি ঠাণ্ডা হলেও শক্ত হয় না। এই মাংস দিয়ে স্টু থেকে স্টেক পর্যন্ত প্রায় সব খাবারই তৈরি করা যায়।’তাই জাপান জুড়ে ভালুকের মাংসের জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলছে।
সূত্র: বিবিসি