রমজানের শেষ দশকে মসজিদুল হারামে আগতদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নামাজ ও ইবাদত পালনকে সহজতর করা এই নির্দেশাবলীর উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়েছে। রমজান মাসের শুরুতে দেওয়া অনেক নির্দেশনা বহাল রাখা হয়েছে শেষ দশকের নির্দেশনাগুলোতে।
আরো পড়ুন>> যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করলো যুক্তরাষ্ট্র-ফিলিপাইন
.png)
নির্দেশনাগুলো হলো:-
মসজিদে হারামে ওমরাহ বা নামাজের জন্য আসার সময় পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বাস, ট্রেন স্টেশন, প্রাইভেট কার, ট্যাক্সি, প্রাইভেট পার্কিংয়ের ক্ষেত্রে নির্ধারিত স্থান ব্যবহারের নিদের্শনা অনুসরণের কথা বলা হয়েছে।
এছাড়াও ওমরাহ পালনকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা রয়েছে। এর পাশাপাশি মসজিদে হারামের আঙ্গিনায় এবং গেটের কাছাকাছি চলাচল এবং মিডিয়া কাভারেজের ক্ষেত্রে হারামাইন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মানার কথা বলা হয়েছে।
ওমরা পালনকারী ও মুসল্লিদের ভিড় এড়াতে মসজিদ হারামের ভিতরে কয়েকটি জায়গায় নামাজ পড়া থেকে বিরত থাকতে বলেছে মন্ত্রণালয়।
এছাড়াও বায়তুল্লায় আগতদের হারাম শরিফের করিডোর, প্রবেশপথ এবং প্রস্থানের জায়গায় নামাজ না পড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।