পরীক্ষা করে জানা যায়, হবু কনের ক্ষুদ্রান্ত্রে একটি ছিদ্র রয়েছে। সেখান থেকেই এই ব্যথার সূত্রপাত এবং পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে, অস্ত্রোপচার না করে উপায় নেই।
রশ্মীর স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে পরিবারের সকলেই বিয়ে পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। বিয়ের পাঁচ দিন আগে এমন একটি সিদ্ধান্ত দুই পরিবারের জন্য বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতোই। কিন্তু হবু স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা দেখে এই সিদ্ধান্ত মেনেও নেয় বরপক্ষ। সেই মতো অস্ত্রেপচারও হয়। চিকিৎসকরা আশ্বস্ত করেন, রশ্মী বিপদমুক্ত। তবে এখন বিশ্রামের প্রয়োজন রয়েছে তার।
.png)
আরো পড়ুন>> থাইল্যান্ডে তীব্র তাপদাহ, সতর্কতা জারি
ঘটনা এখানেই শেষ নয়। দুই পরিবারের আর্থিক অবস্থা তেমন ভাল নয়। কষ্ট করেই বিয়ের আয়োজন করেছিল রশ্মী এবং রাজের পরিবার। তাই তাদের কথা চিন্তা করে বিয়ের দিন পিছোতে চাননি রাজ। বরযাত্রী নিয়ে বিয়ে করতে আসা, মালাবদল থেকে বর-কনে বিদায়— সব কিছু মেনে রীতিমতো ঘটা করেই হাসপাতালে চার হাত এক হয় দু’জনের।
সূত্র: আনন্দবাজার