তারা বলছে, কাশ্মীরের বিতর্কিত হিমালয় অঞ্চলে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন জি-২০ পর্যটন বৈঠকে অংশ নেবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন ও পাকিস্তান উভয়েই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীরে এ অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য ভারতের নিন্দা করেছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন শুক্রবার (১৯ মে) বলেন, বেইজিং বিতর্কিত ভূখণ্ডে যে কোনো ধরনের জি২০ সভা আয়োজনের ঘোর বিরোধী এবং এ ধরনের বৈঠকে অংশ নেবে না।
.png)
সিরিজ বৈঠকের অংশ হিসেবে চলতি মাসের ২২ থেকে ২৪ তারিখ পর্যন্ত কেন্দ্রশাসিত জম্মু ও কাশ্মীরের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী শ্রীনগরে জি-২০ সদস্যদের পর্যটন সংক্রান্ত একটি ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক হওয়ার কথা।
আরো পড়ুন>> আইসিসির প্রধান প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে রাশিয়ার গ্রেফতারি পরোয়ানা
১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা পাওয়ার পরই কাশ্মীরকে পাওয়ার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামে দেশ দুটি। প্রতিদ্বন্দ্বিতার জের থেকেই ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে রেষারেষিতে রূপ নেয়, যা আজ অবধি চলমান। এ পর্যন্ত অঞ্চলটি নিয়ে তাদের মধ্যে তিনটি যুদ্ধ হয়েছে।
ভারত-পাকিস্তান ভাগ করার পরিকল্পনা অনুযায়ী, কাশ্মীর দুই দেশ থেকেই মুক্ত ছিল। পাকিস্তান কাশ্মীরের এক-তৃতীয়াংশ নিয়ন্ত্রণে নেয়। বাকি অংশের নিয়ন্ত্রণ নেয় ভারত।
২০১৯ সালে নয়াদিল্লি জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে এটিকে একটি ফেডারেল অঞ্চলে রূপান্তর করেছে। জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখ নিয়ে দুটি ফেডারেল অঞ্চল তৈরি করেছে ভারত। তবে লাদাখের একটা বড় অংশ চীনের নিয়ন্ত্রণে।
কাশ্মীরের ভারত নিয়ন্ত্রিত অংশটি কয়েক দশক ধরে ভারতের শাসনে থাকতে চায়না। তারা চায়- হয় পূর্ণ স্বাধীনতা অথবা পাকিস্তানের সাথে সংযুক্তি। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় সংঘর্ষে হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিক, সৈন্য এবং কাশ্মীরি বিদ্রোহী নিহত হয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা