উত্তর ভারতের প্রায় বেশিরভাগ এলাকাতেই তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে, তাপমাত্রা কমার কোনো লক্ষণ নেই। আর তাপপ্রবাহের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ।
শুধুমাত্র মঙ্গলবারই গাজিয়াবাদের সরকারি হাসপাতালগুলোতে ১১০০ মানুষ চিকিৎসা নিতে গেছে। তাদের মধ্যে শতাধিক মানুষের অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। বেসরকারি হাসপাতালগুলোতেও হিট স্ট্রোক, ডায়েরিয়া, সান স্ট্রোকের রোগীর চাপ বাড়ছে।
.png)
মঙ্গলবার পরিস্থিতি এমন হয় যে গাজিয়াবাদের সরকারি হাসপাতালগুলোতে হিট স্ট্রোক এবং ডায়েরিয়ার সমস্যা নিয়ে রোগীদের ভিড় করতে দেখা যায়। শুধু তাই নয়, প্রচণ্ড গরমে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে অনেকেই জ্ঞান হারিয়ে লুটিয়ে পড়েন। তাদের সঙ্গে সঙ্গে জরুরি বিভাগে ভর্তি করানো হয়।
আরো পড়ুন>> ব্রিটেনে নতুন আইন, বিদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য নিষোধাজ্ঞা
চিকিৎসকরা বলছেন, শরীর যখন অতিরিক্ত উত্তপ্ত হয়ে যায় এবং সেই তাপ দেহ থেকে বেরোতে পারে না, তখন হিট স্ট্রোক হয়। শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলেও তা না কমলে দৈহিক বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে, হতে পারে মৃত্যুও। এই তাপপ্রবাহে মানুষের হিট স্ট্রোক বা সান স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
মঙ্গলবার (২৪ মে) সারাদিনে ১১০০ মানুষ গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ে সরকারি হাসপাতালে আসেন। তাদের মধ্যে ১১৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়। বেসরকারি হাসপাতালেও একই চিত্র দেখা গেছে।
গাজিয়াবাদের সরকারির হাসপাতালগুলোতে মঙ্গলবার সকাল থেকেই এমন রোগীর সংখ্যা ক্রমশ বাড়তে থাকে। অনেকেই এসে হাসপাতালে রোগী দেখানোর লাইনে অপেক্ষা করতে করতেই জ্ঞান হারান। তখন তাদের তড়িঘড়ি করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
সূত্র: আনন্দবাজার