ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

বন্দি নির্যাতনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জাতিসংঘের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫:৪৪, ২৯ জুন ২০২৩
বন্দি নির্যাতনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জাতিসংঘের
ছবি: সংগৃহীত

বিতর্কিত গুয়ানতানামো বে কারাগারের বন্দিদের নির্যাতনের জন্য ক্ষমা চাওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। এ ছাড়া অপব্যবহারের জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এবং কিউবায় মার্কিন পরিচালিত কুখ্যাত বন্দি কারাগার বন্ধ করার জন্য ও যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

জাতিসংঘের একজন বিশেষজ্ঞ এবং বিশেষ প্রতিবেদক ফিওনুয়ালা নি আওলাইন এই আহ্বান জানান বলে এক খবরে জানায় আল-জাজিরা

সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে আনেন জাতিসংঘের এই বিশেষ প্রতিবেদক। এ সময় এই বছরের শুরুতে তাকে এই কাজ করতে অনুমতি দেয়ার জন্য জো বাইডেনের প্রশাসনের প্রতি তিনি ধন্যবাদ জানান, পাশাপাশি বন্দীদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিকারের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন ফিওনুয়ালা।

Advertisement

তিনি আরো জানান, ব্ল্যাক সাইট হিসেবে পরিচিত গোপন স্থানে এবং পরবর্তীতে গুয়ানতানামোতে বন্দিদের ওপর নির্যাতন হল ৯/১১ হামলার ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাধা।"

সোমবার ফিওনুয়ালা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে কারাগারের সুবিধায় অপব্যবহার চলছে। প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা, পারিবারিক কাউন্সিল এবং ন্যায়বিচারে কাঠামোগত ত্রুটি এবং পদ্ধতিগত স্বেচ্ছাচারিতা তুলে ধরে তার প্রতিবেদন। মার্কিন এই কারাগারে চলমান 'কাঠামোগত ত্রুটির' অবসানের আহ্বান জানান তিনি।

ফিওনুয়ালা বলেন যে তিনিই প্রথম জাতিসংঘের বিশেষ ব্যক্তি যাকে গুয়ানতানামোতে তদন্ত করার জন্য প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়েছিল।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে ৯/১১ হামলার পর সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা চলাকালীন আটকৃত বন্দিদের ২০০২ সালে গুয়ান্তানামো বন্দী কেন্দ্র খোলা হয়েছিল তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের অধীনে।

কিউবায় অবস্থিত এই কারাগারে একসময় প্রায় ৮০০ বন্দী ছিল। পরবর্তীতে এই বন্দীর সংখ্যা বর্তমানে ৩০-এ নেমে এসেছে। তবে বর্তমানে ১৬ বন্দীকে মুক্তির জন্য যোগ্য বলে ঘোষণা করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!