প্রতিষ্ঠানটির তথ্যমতে, বিংশ শতাব্দীর গড় তাপমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক শূন্য ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল জুনের বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা। প্রথমবারের মতো গ্রীষ্মের মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে এক ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি গরম ছিল। ১৮৫০ সাল থেকে বিশ্বে তাপমাত্রার রেকর্ড রাখছে এনওএএ।
অন্যদিকে, নাসা, পৃষ্ঠের তাপমাত্রা নিয়ে গবেষণাকারী মার্কিন প্রতিষ্ঠান বার্কলে আর্থ ও ইউরোপের কোপারনিকাসের মতো অন্যান্য আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করা প্রতিষ্ঠানগুলো এরই মধ্যে গত জনু মাসকে রেকর্ডের সবচেয়ে উষ্ণতম জুন বলে আখ্যা দিয়েছে।
.png)
এনওএএ’র জলবায়ু বিজ্ঞানী আহিরা সানচেজ-লুগো বলেন, আগের জুনের রেকর্ডের তুলনায় এই বৃদ্ধি ‘যথেষ্ট বড় লাফ’। কারণ সাধারণত বিশ্বব্যাপী মাসিক রেকর্ডগুলো এত বিস্তৃত হয় যে, তারা প্রায়ই এক ডিগ্রির চতুর্থাংশ নয় বরং শততম লাফ দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল ইউনিভার্সিটির জলবায়ুবিজ্ঞানী নাটালি মাহোয়াল্ড বলেন, এ বছর রেকর্ড তাপমাত্রার পাশাপাশি আমরা যে চরম দাবানল, দূষণ ও বন্যা দেখছি, তা উষ্ণ জলবায়ুর কারণেই হয়েছে বলে আমরা ধারণা করছি। জলবায়ু পরিবর্তনে যেসব নেতিবাচক প্রভাবের শঙ্কা আমরা করে থাকি, তার কিছুটা আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
জুন মাসে স্থল ও সমুদ্র উভয়ে সবচেয়ে উষ্ণতম ছিল। বিজ্ঞানীরা বলছেন, পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠ, যা পৃথিবীর আয়তনের ৭০ শতাংশ, এপ্রিল, মে ও জুন মাসে মাসিক উচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড তৈরি করেছে। ২০১৬ ও ২০২০ সালের পর ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছিল তৃতীয় উষ্ণতম।