পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি রাজৌরি জেলার নৌসেরা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে শাহিন আখতার (৩০) নামের ওই নারীকে। মোহাম্মদ আলতাফ মার নামের এক যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় তাকে।
শাহিনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ আনেন আলতাফ। এর পরই একাধিক ব্যক্তি শাহিনের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ তোলেন।
.png)
পুলিশ জানিয়েছে, আলতাফের বাড়ি উপত্যকার বুদগামে। ঘটকের মাধ্যমে শাহিনের সঙ্গে আলাপ হয় তার। বিয়ের পর মাস চারেক সংসার করেন তারা। একদিন সকালে উঠে দেখেন স্ত্রী গায়েব। সেই সঙ্গে গায়েব হয়েছে টাকা ও সোনার গয়না।
গত ৫ জুলাই শাহিনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন আলতাফ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা নেয় পুলিশ। এরপর ১৪ জুলাই শাহিনকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলে পুলিশ।
তদন্তকারীদের দাবি, সেদিনই আদালত চত্বরে জড়ো হন একদল যুবক। তাদের সবারই দাবি, শাহিন একইভাবে তাদেরকে ঠকিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত আলতাফ-সহ ১২ জন শাহিনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ এনেছেন। সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মুসলিম রীতি অনুযায়ী, বিয়ের সময় পাত্রকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কনেকে দিতে হয়। এটাকে বলে দেনমোহর বা মোহরানা। শাহিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রত্যেক বিয়েতেই মোটা অঙ্কের দেনমোহর নিতেন তিনি। আর বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই দেনমোহরের মোটা টাকা ও সোনার গয়না নিয়ে পালিয়ে যেতেন। পরে আবার আরেকজনের সঙ্গে বিয়ে করতেন।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে