রাশিয়ার গ্রামে বিতর্কিত ক্লাস্টার বোমা ব্যবহার করেছে ইউক্রেন
রুশ সীমান্তবর্তী বেলগোরোদ অঞ্চলের একটি গ্রামে ক্লাস্টার বোমা দিয়ে হামলা চালিয়েছে বলে অঞ্চলটির গভর্নর ভ্যাচেস্লাভ গ্ল্যাডকভ জানিয়েছেন।
শনিবার (২২ জুলাই) গ্ল্যাডকভ টেলিগ্রামে লিখেছেন, ঝুরাভলেভকার বসতিতে বড় আকারের আক্রমণের সময় কিয়েভ বাহিনী কমপক্ষে তিনটি ক্লাস্টার বোমা ব্যবহার করেছে।
গভর্নরের মতে, গ্রামে ২১টি আর্টিলারি শেল এবং ১০ রাউন্ড মর্টারও ছোড়া হয়েছিল। পাশাপাশি হামলায় একটি কামিকাজে ড্রোনও ব্যবহার করে হয়েছে।
.png)
তবে গোলাগুলির ফলে ঝুরাভলেভকায় কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।
এ ছাড়াও ছোট কামান, মর্টার ও ড্রোন হামলা একই দিনে বেলগোরোদ অঞ্চলের আরো অন্তত ১২টি বসতিকে লক্ষ্য করেছে বলে গ্ল্যাডকভ উল্লেখ করেছেন।
ইলেক-পেনকোভকা গ্রামে ১২টি পরিবার একটি বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ভবনগুলোর সম্মুখভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং জানালাগুলো ভেঙে গেছে জানিয়ে গভর্নর বলেছেন, এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে কিয়েভের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
ইউক্রেনে পাঠানো গোলাবারুদের মজুত ফুরিয়ে আসছে উল্লেখ করে সম্প্রতি দেশটিকে সহায়তায় ক্লাস্টার বোমা পাঠানোর ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এরই অংশ হিসেবে রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়তে বোমার চালান হাতেও পেয়েছে জেলেনস্কির বাহিনী।
বিতর্কিত এই বোমা পাঠানোয় ব্যাপক ক্ষুব্ধ ক্রেমলিন। যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররাও বাইডেনের এমন পদক্ষেপে খুশি হতে পারেনি। এই বোমা সরবরাহের বিপক্ষে তারা।
ইউক্রেন দাবি করছে, এই বির্তর্কিত ক্লাস্টার বোমা যুদ্ধক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ থাকবে। এর মধ্যেই বেলগোরোদে হামলার অভিযোগ উঠলো কিয়েভের বিরুদ্ধে।
এই অঞ্চলটি ইউক্রেন যুদ্ধের শুরু থেকে কয়েক বার হামলার শিকার হয়েছে।
যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের ১০০টি দেশে ক্লাস্টার বোমা ব্যবহার নিষিদ্ধ।