নগদ অর্থের পাশাপাশি মুম্বাইয়ে ৩টি অ্যাপার্টমেন্টও রয়েছে ভরতের। এছাড়া মুম্বাই সংলগ্ন শহর থানেতে দুটি দোকান কিনে ভাড়া দিয়েছেন তিনি। প্রতি মাসে দোকানগুলো থেকে ভাড়া বাবদ আয় হয় ৬০ হাজার রুপি।
ব্যক্তিগত জীবনে ভরত জৈন বিবাহিত। তার পরিবারে রয়েছে স্ত্রী, দুই ছেলে, এক ভাই ও বাবা। নিজের ৩টি ফ্ল্যাটের একটিতে পরিবার নিয়ে থাকেন ভরত। তার ছেলেরা পড়েছে ভারতের সবচেয়ে দামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কনভেন্ট স্কুলে। তার দোকান ও অন্যান্য সম্পত্তি দেখাশোনা করেন তার ভাই ও ছেলেরা।
.png)
জানা গেছে, আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে ছোটবেলায় পড়াশোনা করতে পারেননি ভরত। কেবলমাত্র ভিক্ষা করেই সেই অসচ্ছলতা কাটিয়ে উঠেছেন তিনি। তবে যথেষ্ট অর্থ-সম্পদ থাকা সত্ত্বেও এখনো ভিক্ষা করা ছাড়েননি ভরত। প্রতিবেশীরা তাকে ভিক্ষা ছেড়ে অন্য কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন। তাতে রাজি নন ভরত।
এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে ভরত জানান, এই পেশা তাকে কোটিপতি বানিয়েছে। তাই অন্য কাজের ঝুঁকি নিয়ে পথে বসতে রাজি নন তিনি।
প্রতিদিন সাধারণ ভিক্ষুকের মতো ছেঁড়া-মলিন কাপড়, উস্কোখুস্কো চেহারা ও চুলে সেজে মুম্বাইয়ের ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ টার্মিনাল রেলস্টেশনে যান তিনি এবং ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা ভিক্ষা করেন। তার দৈনিক উপার্জন ২ হাজার টাকার নিচে কখনো নামে না বলেও জানা গেছে।