সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, অটোচালক শিবকুমার এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন। পথে এক তরুণী তাকে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে বলেন। দু’জনের গন্তব্য একদিকে হওয়ায় ওই অটোচালক তরুণীকে নিয়ে রওনা হন। এ সময় ফোনে এক বন্ধুর সঙ্গে রুপি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বলছিলেন অটোচালক—যা ওই তরুণী শুনেছেন।
তখন তরুণী তার কাছে ফোন পে নম্বর চান। অটোচালক ভেবেছিলেন ভাড়া দেওয়ার জন্য হয়তো চাইছেন। এরপর অটোচালক তার বন্ধুর সঙ্গে দেখা করে নগদ ২৫ হাজার রুপি নেন। একটু পর ওই তরুণী অটোচালককে জানান তার কলেজে অনলাইন পেমেন্ট নেয় না। কিন্তু তার রুপি অনলাইনে আছে। তাকে ক্যাশ রুপিগুলো দিলে তিনি অটোচালককে অনলাইনে রুপি দিয়ে দেবেন। এতে তরুণীর একটু উপকার হবে।
.png)
ওই তরুণীর কথায় বিশ্বাস করে তাকে ২৩ হাজার ৪০০ রুপি দেন শিবকুমার। তখন সেই তরুণী তাকে জানান, ভাড়াসহ অনলাইনে ২৩ হাজার ৫০০ রুপি দিয়েছেন। তবে অটোচালক মেসেজ দেখার আগেই ওই তরুণী কলেজে ঢুকে পড়ে। এরপর শিবকুমার বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী অটোচালক পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেও জানা যায়।