অভ্যুত্থানের মাত্র চারদিন আগে গ্যাবনে নির্বাচন হয়। ব্যাপক জালিয়াতি ও কারচুপির ওই নির্বাচনের মাধ্যমে তৃতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট হন আলী বঙ্গো। কিন্তু নির্বাচন প্রক্রিয়া অস্বচ্ছ হওয়ায় সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করে নেয়। এরমাধ্যমে গ্যাবনে বঙ্গো পরিবারের দীর্ঘ ৫৬ বছরের শাসনের অবসান হয়।
তবে গ্যাবনের বিরোধী দলের নেতা আলবার্ট ওন্দো ওসা দাবি করেছেন, এটি কোনো সামরিক অভ্যুত্থান নয়। এটি মূলত ৫৬ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা বঙ্গো পরিবারের অভ্যন্তরীন দ্বন্দ্ব। এই দ্বন্দ্বের মাধ্যমে কথিত অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আলী বঙ্গোকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
.png)
তিনি আরও দাবি করেছেন, এ অভ্যুত্থানের পরিকল্পনা করেছেন আলী বোঙ্গোর বোন পাসকালিন বোঙ্গো। আর সেনাবাহিনী যাকে ক্ষমতায় বসিয়েছে এবং যার নেতৃত্বে অভ্যুত্থান হয়েছে সেই জেনারেল ব্রাইস ওলিগুই এনগুয়েমার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট আলী বঙ্গোর রক্তের সম্পর্কে ভাই (কাজিন) হন।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গ্যাবনের বিরোধী দলীয় এ নেতা এসব দাবি করেছেন।
যদিও অভ্যুত্থানের পরপরই অনেক মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন এবং আনন্দ-উল্লাস করেন। এছাড়া সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘গ্যাবনের মানুষ অবশেষে সুখের পথে এসেছেন।’
তবে বিরোধী দলীয় নেতা আলবার্ট ওন্দো ওসা বলেছেন, সাধারণ মানুষ প্রাথমিক অবস্থায় বুঝতে না পেরে আনন্দ-উল্লাস করেছেন। কিন্তু তারা কয়েকদিন পরই সব বুঝতে পারবেন।
ক্ষমতা দখল করা জেনারেল ব্রাইস ওলিগুই এনগুয়েমাকে ‘ছোট বঙ্গো’ হিসেবে অভিহিত করে আলবার্ট ওন্দো বলেছেন, জেনারেল এনগুয়েমা ছোটকাল থেকেই প্রেসিডেন্ট প্যালেসে থাকেন।