ঢাকা,  সোমবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

মহাসাগরে ভয়ঙ্কর গর্জন শুনে ভড়কে যায় পরীক্ষক দল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫:৫০, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩
মহাসাগরে ভয়ঙ্কর গর্জন শুনে ভড়কে যায় পরীক্ষক দল
পিগমি তিমি - ফাইল ছবি

বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রাণী নীল তিমি। এই নীল তিমির অন্যতম একটি প্রজাতি হলো পিগমি তিমি। গভীর সমুদ্রের মধ্যে দিয়ে বীরদর্পে ৮০-ফুট লম্বা ৯০ টন ওজনের শরীর নিয়ে এগিয়ে যায় স্তন্যপায়ী এই প্রাণীগুলো। নিকটতম জাত অ্যান্টার্কটিক নীল তিমি থেকে এরা মাত্র ২০ ফুট ছোট।

পৃথিবীতে সবচেয়ে উচ্চস্বর তৈরিকারী প্রাণী হচ্ছে এই পিগমি তিমি। তাদের কম স্বরটিই জেট ইঞ্জিনের প্রকাণ্ড শব্দকে ছাড়িয়ে যায়।

গ্রহের সবচেয়ে বিশালাকার এবং গর্জনকারী প্রাণী হওয়া সত্ত্বেও দুই কারণে নীল তিমিগুলোকে শনাক্ত করা কঠিন। এদের নিভৃতে বা একা চলার স্বভাব এবং সমুদ্রে মানুষের বিভিন্ন কার্যকলাপ। বিংশ শতাব্দীতে বাণিজ্যিকভাবে হত্যার শিকার এই নিভৃতচারী বিশালাকার প্রাণীটি এখন বিলুপ্তির পথে।

Advertisement

নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ভারত মহাসাগরে অনেক সংখ্যক পিগমি প্রজাতির তিমির সন্ধান পেয়েছেন।

সম্প্রতি নেচার সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, দুই দশক ধরে সমুদ্রের গভীরে পরমাণু বোমা পরীক্ষার ওপর নজর রাখতে তদন্তকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় তারা এমন সব শব্দের ধারণকৃত রেকর্ড নিয়ে গবেষণা চালান। তারা পরে বুঝতে পারেন এমন সব প্রলয়ঙ্করী শব্দ পরমাণু বোমা পরীক্ষার নয়, সেগুলো হচ্ছে পিগমি তিমির উচ্চারিত সুরেলা শব্দ আর মৃদু গর্জন। সঙ্গীকে আকৃষ্ট করতে একধরনের সুরেলা শব্দ করতে থাকে এজাতের পুরুষ তিমি। মিলনের তীব্র আকাঙ্খা মেটাতে এমন শব্দ করে তারা।

সূত্র: বিবিসি

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
ট্যাগ: তিমি সাগরে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!