শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জামফারা রাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর আশেপাশের এলাকা থেকে তাদের অপহরণ করা হয়।
‘দস্যু’ নামে পরিচিত অপরাধী দলটির বেশ কয়েকজন বন্দুকধারী রাজ্যের রাজধানী গুসাউয়ের বাইরে সাবোন গিদা গ্রামে ঢুকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি হোস্টেলে ভাঙচুর করে। এসময় সেখান থেকে ২৪ জন ছাত্রীসহ আরো কয়েকজনকে তুলে নিয়ে যায় তারা।
.png)
সাবোন গিদা গ্রামে বাসিন্দা সাহাবি মুসা জানান, বন্দুকধারীরা মোটরসাইকেলে করে গ্রামে প্রবেশ করে। তারা হোস্টেলের জানালা ভেঙে কক্ষে প্রবেশ করে। এই সময় তারা সেখানকার দুই কর্মীসহ ২৪ ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যায়।
আরেক বাসিন্দা শেহু হাশিমু বলেন, হামলাকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করে এবং ঘুমন্ত অবস্থায় থাকা ৯ জন শ্রমিককে ধরে নিয়ে যায়।
জামফারা রাজ্য পুলিশের মুখপাত্র ইয়াজিদ আবুবকর হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, নিরাপত্তা কর্মীরা বন্দীদের মুক্ত করার জন্য কাজ করছেন।
একজন সামরিক কর্মকর্তা বলেছেন, অপহৃতদের উদ্ধারে সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে। ছয় ছাত্রীকে ইতিমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে।
জামফারা হলো, উত্তর-পশিম ও মধ্য নাইজেরিয়ার বেশ কিছু রাজ্যের মধ্যে অন্যতম একটি, যেখানে সন্ত্রাসীরা প্রায়ই গ্রামে হামলা চালিয়ে বাসিন্দাদের হত্যা, অপহরণ করে এবং লুটপাট করার পর বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নাইজেরিয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীদের অপহরণের ঘটনা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। ২০১২ সালে ফেব্রুয়ারিতে বন্দুকধারীরা জামফারা রাজ্যের জাঙ্গেবে শহরে মেয়েদের একটি বোর্ডিং স্কুলে হামলা চালিয়ে তিন শতাধিক শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে। কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে মুক্তিপণের অর্থ আদায়ের কয়েকদিন পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
সূত্র: রয়টার্স