সোমবার (২ অক্টোবর) দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এমন মর্মান্তিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দেশটিতে তিন দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
টেলিভিশনে প্রচারিত মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ওই অঞ্চলে ইসলামিক স্টেট গ্রুপের হুমকি মোকাবিলায় অভিযান চালাচ্ছিল সামরিক বাহিনী। এ সময় শতাধিক বিদ্রোহীদের বিভিন্ন বিস্ফোরক ডিভাইস এবং কামিকাজ গাড়ি ব্যবহার করে সেনাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় দুই সেনা গুরুতর আহত হয়। এছাড়া বেশ কিছু বিদ্রোহীদের নিহত হয়েছে।
.png)
তবে কোন বিদ্রোহীগোষ্ঠী নাইজারের সেনাদের ওপর হামলার জন্য দায়ী, তা এখনও পরিষ্কার নয়। এছাড়া অতর্কিত এই হামলার ঘটনা ঠিক কখন ঘটেছে সেটিও জানায়নি নাইজারের সেনাবাহিনী। তবে গত ২৬ সেপ্টেম্বর ও ২ অক্টোবরের মাঝে নাইজারের সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে বলে জানিয়েছে।
গত জুলাইয়ে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে সেনাবাহিনী ক্ষমতায় আসার পর দেশটিতে এই হামলা সবচেয়ে ভয়াবহ। দেশটিতে চলমান রাজনৈতিক সংকটের সমাধানে আলজেরিয়ার দেওয়া প্রস্তাব নাইজার গ্রহণ করেছে বলে সোমবার আলজেরিয়া জানিয়েছে। তবে রাজনৈতিক সংকট সমাধানে আলজেরিয়ার মধ্যস্থতাকারীর প্রস্তাব মেনে নেওয়ার তথ্য অস্বীকার করেছে নাইজারের জান্তা।
নাইজারের প্রতিবেশী মালি ও বুরকিনা ফাঁসোর ক্ষমতায় আছে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা সামরিক বাহিনী। তিন দেশের জান্তা সরকারই নিজ নিজ দেশে জঙ্গিগোষ্ঠী আল-কায়েদা এবং ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে লড়াই করছে।
সাহেল অঞ্চলে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর সাথে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর লড়াইয়ে হাজার হাজার মানুষ নিহত ও ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াই এবং একে অপরকে রক্ষার লক্ষ্যে গত মাসে তারা একটি নিরাপত্তা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
সূত্র: রয়টার্স