ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

গাজায় বিদ্যুৎ না থাকায় মৃত্যুর মুখে ১০০ নবজাতক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:১৫, ১২ অক্টোবর ২০২৩
গাজায় বিদ্যুৎ না থাকায় মৃত্যুর মুখে ১০০ নবজাতক
ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা ষষ্ঠ দিনে গড়িয়েছে। দুই পক্ষের হামলায় বেড়েই চলছে হতাহতের সংখ্যা।

জানা গেছে, হামাসের হামলার প্রতিশোধ নিতে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর নজিরবিহীন হামলা অব্যাহত রয়েছে। জনপদটির বহু এলাকা পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে।

গত মঙ্গলবার গাজা শহরের গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির লাইন বন্ধ করে দেয় ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ। এ অবস্থায় দুর্বিষহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে সেখানে। বহু বছর ধরে এই শহরে অবস্থান করছেন মালয়েশিয়াভিত্তিক একটি সাহায্য সংস্থার কর্মকর্তা জিয়াদ শেহাদা। বুধবার আল-জাজিরাকে জানান, বর্তমানে জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর সময় পাড়ি দিচ্ছেন তিনি।

Advertisement

মর্মান্তিক পরিস্থিতির মধ্যে থাকা গাজার বাসিন্দাদের মধ্যে খাবার, কম্বল, বালিশসহ বিভিন্ন জিনিস বিতরণের চেষ্টা করছে শেহাদার সংস্থাটি। কিন্তু সমস্যা হলো, এসব জিনিস শহরের সীমান্ত এলাকায় মজুত করে রাখা আছে। সেখানে পৌঁছার মতো পরিস্থিতি এখন আর নেই। তাদের সঙ্গে থাকা মজুতও এখন শেষ হয়ে গেছে।

বিদ্যুৎ না থাকায় নিজের প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মী এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে পারছেন না শেহাদা। তিনি বলেন, ‘এটাই এ যাবৎকালের সবচেয়ে ভয়ংকর যুদ্ধ।’

তবে বিদ্যুৎ না থাকায় সবচেয়ে বিপদে পড়েছে হাসপাতালে অবস্থান করা রোগী ও শিশুরা। শহরের আল-ওয়াফা হাসপাতালের স্বাস্থ্য পরিচালক হাসান খালাফ জানিয়েছেন, হাসপাতালগুলোকে এখন জেনারেটরের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। কিন্তু এসব হাসপাতালে অত্যাবশ্যকীয় কিছু জরুরি সেবা রয়েছে যেগুলো জেনারেটর দিয়ে পরিচালনা করা সম্ভব নয়।

খালাফ আরো জানান, গাজার হাসপাতালগুলোতে বর্তমানে ১০০ নবজাতক রয়েছে যাদের বাঁচিয়ে রাখার সব সম্ভাবনা শেষ হয়ে যাচ্ছে। কারণ এসব শিশুকে জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপের জন্য বিদ্যুৎ চালিত চিকিৎসা সরঞ্জামের ওপর করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, তারা খুব ছোট। খুবই দুর্বল।

এদিকে ডায়ালাইসিস করে বেঁচে থাকা এক হাজারের বেশি রোগীও এখন মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। কারণ ডায়ালাইসিস মেশিনগুলো বিদ্যুৎ ছাড়া চালানো সম্ভব হচ্ছে না।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!