ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

মনুষ্যবিহীন বিমানের মাধ্যমে যেভাবে শুরু হয় পারমাণবিক মিশন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০:১৯, ১৫ অক্টোবর ২০২৩
মনুষ্যবিহীন বিমানের মাধ্যমে যেভাবে শুরু হয় পারমাণবিক মিশন
ছবি: সংগৃহীত

প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র মার্শাল আইল্যান্ডসের বিকিনি অ্যাটোল দ্বীপে প্রথম পানির নিচে পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ‘অপারেশন ক্রসরোডের‘ মাধ্যমে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যুক্তরাষ্ট্র। এই বিস্ফোরণের একটি ছিবি ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিয়েছে।

১৯৪৬ সালের জুলাইয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অপারেশন ক্রসরোড নামে বিকিনি অ্যাটোল দ্বীপে দুটি পারমানবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। প্রথম পারমাণবিক বোমাটি বিস্ফোরণে ব্যবহার করা বিমান এবং দ্বিতীয় বোমাটি পানির নিচ থেকে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

১৯৪৫ সালের জুলাইয়ে বহুল আলোচিত ম্যানহাটোন প্রজেক্টের ট্রিনিটি টেস্টের পর এটাই ছিল যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা। এর কয়েক মাস পরই জাপানের নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এর জন্য যুক্তরাষ্ট্র ৪২ হাজারের বেশি কর্মী প্রস্তুত করে এবং ২৫০ জাহাজ ও ১৫০টি এয়ারক্রাফট ব্যবহার করা হয়।

Advertisement

যেখানে একটি পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ মানে হলো রেডিয়েশন বিকিরণ এবং মানবজাতির ধ্বংস যেখানে কীভাবে এর বিস্ফোরণ পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব? এক্ষেত্রে ব্যবহার হতে পারে ড্রোন।

পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের পর রেডিওএকটিভ যুক্ত মেঘমালা দেখতে এক ইঞ্জিন বিশিষ্ট একটি বিমান পাঠানো হয়। তবে বিমানে কোনো চালক ছিল না। শুধু তাই নয় এটিই একমাত্র বিমান ছিল না।

বিজ্ঞানী নিকোলাস টেসলা এবং সাইন্স ফিকশনে পথিকৃত এইচজি ওয়েলস প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের আগে রেডিও নিয়ন্ত্রিত উড়ন্ত অস্ত্রের পরিকল্পনা করে। ১৯১৭ সালে প্রথমবার স্বপ্নের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছায় যখন ব্রিটেন পাইলট বিহীন বিমান উড্ডয়নে সক্ষম হয়। এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয় এরিয়াল টার্গেট।

সূত্র: বিবিসি

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!