মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্য বিবিসি।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় গাজা ভিত্তিক ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস। জবাবে গাজায় তাণ্ডব চালানো শুরু করে ইসরায়েল। হামলার এক পর্যায়ে ইসরায়েল উপত্যকাটি অবরুদ্ধ করে দেয়।
.png)
বর্তমানে গাজায় বিদ্যুৎ, পানি, খাবার ও জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে রেখেছে ইসরায়েল। দেশটি এক পর্যায়ে উত্তর গাজা থেকে বাসিন্দাদের দক্ষিণ দিকে সরে যেতে বলেছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার জানিয়েছেন, উপত্যকাটিতে প্রায় ৩ হাজার বাসিন্দার প্রাণ গেছে। আর আহত হয়েছেন ১২ হাজার ৫০০ বাসিন্দা।
অন্যদিকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে আহত ১ হাজার ২৫০ ছাড়িয়েছে। সেখানে নিহত হয়েছেন অন্তত ৬১ ফিলিস্তিনি।
এদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ না থাকায় এবং জ্বালানির অভাবে সেখানকার হাসপাতালগুলো কার্যকর ক্ষমতার পতনের দশায় প্রবেশ করেছে।
ইসরায়েলের সতর্কবার্তা জারির পর উপত্যকাটির উত্তরাঞ্চল থেকে ৬ লাখ লোক দক্ষিণের দিকে পালিয়ে গেছেন। দক্ষিণে খান ইউনিসে এমন পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে যে, সেখানে একটি বাড়িতে ৯০ জনেরও বেশি লোক বাস করছে। সেখানে লোকজন সড়কে ঘুমাচ্ছে, পানের পানি সেখানে সীমিত। খাবারের জন্য লোকজন লাইন ধরে আছে।
এই পরিস্থিতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বুধবার ইসরায়েল সফরে যাচ্ছেন। সেখানে তিনি গাজায় স্থল অভিযান সম্পর্কে জানতে যাচ্ছে।