কর্মকর্তারা জানান, মৃত উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে একজন হলেন ৬৫ বছর বয়সী ইয়েহুডিত ওয়েইস। তিনি কিবুতজের একটি কিন্ডারগার্টেনে কাজ করতেন। তাকে গত ৭ অক্টোবর অপহরণ করে নিয়ে যান স্বাধীনতাকামী হামাস যোদ্ধারা। আল-শিফা হাসপাতাল সংলগ্ন একটি স্থান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ইসরায়েল সেখানে তাদের অভিযান অব্যাহত রেখেছে এবং তারা হামাসের একটি টানেলের সংযোগস্থলের সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছে।
.png)
এদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা নোয়া মার্সিয়ানো নামে এক সেনার মরদেহ উদ্ধার করেছে। ৭ অক্টোবর হামাসের হাতে জিম্মি হন তিনি।
গাজার উত্তরে আল-শিফা হাসপাতালের কাছে একটি ভবন থেকে লাশটি শনাক্ত করা হয় বলে সামরিক বাহিনী জানিয়েছে।
সোমবার হামাস একটি ভিডিও প্রকাশ করে, যাতে মার্সিয়ানো হামলা বন্ধের জন্য ইসরায়েলি বাহিনীর কাছে অনুরোধ জানান।
পরের ছবিটিতে তার নিথর শরীর দেখা যায়। আরেকটি ছবিতে তার মাথার ক্ষত দেখা যায়। পরদিন সেনাবাহিনী তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ১৯ বছর বয়সী মার্সিয়ানো নাহাল ওজ সামরিক চৌকিতে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
সূত্র: আল-জাজিরা