ইউরোপীয় ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি) অবশ্য প্রথমে ভূমিকম্পটির মাত্রা ৬ দশমিক ২ বলে জানিয়েছিল। তবে পরে তা কমিয়ে ৬ বলে জানানো হয়েছে।
ফিলিপাইনের ভূকম্পন সংস্থা বলেছে, এদিনের ভূমিকম্পে বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নেই। তবে আফটারশক আঘাত হানতে পারে বলে সতর্ক করেছে তারা।
.png)
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা ছবিতে দেখা গেছে, ভূমিকম্পের পর সিনেট, প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেস, বিচার মন্ত্রণালয়ের ভবনগুলো থেকে সরকারি কর্মীরা বেরিয়ে আসছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও সতর্কতাস্বরূপ শিক্ষার্থীদের বাইরে বের করে নেয়া হয়।
গত রোববারও শক্তিশালী এক ভূমিকম্প আঘাত হানে ফিলিপাইনে। ওই কম্পনের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৪। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে।
এর আগে গত শনিবার স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৩৭ মিনিটের দিকে ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিন্দানাও দ্বীপে রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে মিন্দানাও ও এর আশপাশের এলাকাও।