রোববার (১২ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের তিন শহর ইয়ারুন, রমিশ ও আতিয়া আল-শাবে এ হামলা চালানো হয়।
এর আগে শনিবার লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের ১০টি স্থাপনায় হামলা চালায়।
.png)
গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিন-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর এ উত্তেজনা লেবানন সীমান্তে ব্যাপক আকারে বেড়েছে। লেবানন থেকে ইসরায়েলের সামরিক চৌকিতে বেশ কয়েকবার হামলা করা হয়েছে। দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় অন্তত ১০০ সেনা নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া এ সময়ের মধ্যে ১৫ বেসামরিক লোকেরও প্রাণ গেছে।
এদিকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইয়েমেন। দেশটির বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথিরা জানিয়েছে, এখন থেকে আরব ও লোহিত সাগরে ইসরায়েলগামী যে কোনো জাহাজ ইয়েমেনের তাদের হামলার বৈধ লক্ষ্যবস্তু বলে গণ্য হবে, এ ক্ষেত্রে জাহাজটি কোন দেশের মালিকানাধীন তা বিবেচনা করা হবে না। এর আগে শুধু ইসরায়েলি মালিকানাধীন জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ঘোষণা করেছিল ইয়েমেন।
শনিবার হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি বলেন, যদি গাজার মানুষ পর্যাপ্ত খাদ্য এবং ওষুধ না পায় তবে ইসরায়েলি বন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করা সব জাহাজ আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে। এ ক্ষেত্রে জাহাজটি কোন দেশের মালিকানাধীন তা বিবেচনা করা হবে না। এ ঘোষণা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর দ্বারা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করা হবে।
সূত্র: টাইমস অফ ইসরায়েল