সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার তথ্যানুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় একদিনে প্রায় ১০০ ফিলিস্তিনির প্রাণহানির খবর নিশ্চিত করেছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। দখলদার বাহিনীর অব্যাহত বোমা হামলায় এই নিহতের ঘটনা ঘটেছে। তাছাড়া আহত হয়েছে শত শত ফিলিস্তিনি।
এদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে একটি খসড়া প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি হওয়ার কথা ছিল। সিটিও পিছিয়ে গেছে। এছাড়া ইসরায়েল দাবি করেছে তারা উত্তর গাজা উপত্যকার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। সেখানে হামাসকে ছত্রভঙ্গ করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
.png)
মঙ্গলবার পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ১৯ হাজার ৬৬৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতের পাশাপাশি গাজায় আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫২ হাজারের বেশি।
এদিকে চলমান ইসরায়েলি বোমা হামলায় গাজার পানি সরবরাহব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। পানি কিংবা পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থার সংকট মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বেসরকারি সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডারসের সদস্য রিকার্ডো মার্টিনেজ যুদ্ধের মধ্যে চার সপ্তাহ গাজায় ছিলেন। ত্রাণসহায়তাকারী সংস্থার ওয়েবসাইটে পোস্ট করা এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই শঙ্কার কথা বলেন।
রিকার্ডো মার্টিনেজ বলেন, গাজায় লোকজনকে সীমাবদ্ধতার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। বেঁচে থাকার জন্য তাদের লড়াই করতে হচ্ছে। লোকজন সর্বোচ্চ এক লিটার পানি পাচ্ছে, যা পান করার পাশাপাশি ধোয়া ও রান্নার কাজে ব্যবহার করতে হয়। পানি ছাড়াও গাজার কোনো কোনো জায়গায় জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নেই, যা বাসিন্দাদের টিকে থাকার চ্যালেঞ্জকে আরও জটিল করে তুলছে।
রিকার্ডো মার্টিনেজ আরো বলেন, জ্বালানি ছাড়া মিলগুলো চলে না। তাই গম, খাদ্য পাওয়া যাচ্ছে না। মিসর থেকে আসা দাতা সংস্থার ট্রাক গাজায় প্রবেশ করে স্থানীয় ট্রাকে মালপত্র তুলে দিচ্ছে। তবে জ্বালানি না থাকায় গাজার ট্রাকগুলোও চালানো সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে সম্ভব হচ্ছে না ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমও।