বিষয়টি সম্পর্কে জানেন এমন সূত্র ও দুই ইসরায়েলি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছেন সিএনএন-এর রাজনৈতিক ও পররাষ্ট্র নীতি বিশ্লেষক বারাক রাভিড।
এই বিষয়ে প্রথমে সংবাদ প্রকাশ করে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’। কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে চুক্তিটি হামাসের কাছে উপস্থাপন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বারাক রাভিড।
.png)
যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত মাইকেল হারজোগও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, যতটা সম্ভব জিম্মি মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েল যুদ্ধে বিরতি দিতে ইচ্ছুক। তবে এ বিষয়ে কোনও চুক্তি ইতোমধ্যে হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করে বলেননি তিনি।
হারজোগ সিএনএনকে বলেন, আমি মনে করি এ বিষয়ে চুক্তি হয়েছে কি না তা বলার সময় এখনও আসেনি। তবে হামাস নতুন চুক্তিতে এখনও রাজি হয়নি।
তিনি বলেন, তারা একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতির আশা করছে। কিন্তু আমরা আশা করি, আমরা স্থলে যা করছি তার চাপে এবং কাতার থেকে চাপের কারণে তারা একটি চুক্তি করতে রাজি হবে। তবে এই পর্যায়ে এটি বলার সময় এখনও আসেনি।
অন্যদিকে, হামাস স্পষ্ট করে বলেছে, যুদ্ধবিরতি না হওয়া পর্যন্ত আর কোনও জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হবে না।