১৮ মাসেরও কম সময়ে তৃতীয়বার সাহেল রাষ্ট্র থেকে ফরাসি সৈন্যদের ফিরিয়ে নেয়া হলো। গত বছর মালি ও চলতি বছরের শুরুর দিকে বুরকিনা ফাসোর মতো উপনিবেশ ছাড়তে তারা বাধ্য হয়েছে। এই দেশগুলি সামরিক বাহিনীর দখলে চলে যাওয়ার পর সেনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে ফ্রান্স।
ফ্রান্স জানিয়েছে, ২৬শে জুলাই অভ্যুত্থানের পর এই সাবেক ফরাসি উপনিবেশের নতুন ক্ষমতাসীন জেনারেলরা তাদের প্রস্থানের দাবি তোলার পর তারা নাইজার থেকে তাদের প্রায় ১৫০০ সেনা ও পাইলট প্রত্যাহার করবে।
.png)
তিন দেশেই সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সেনা মোতায়েন করেছিল ফ্রান্স। তবে, ২০২০ সাল থেকে এই অঞ্চলে একের পর এক অভ্যুত্থান সাবেক ঔপনিবেশিক শক্তি ফ্রান্সের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটিয়েছে এবং রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক গাঢ় হয়েছে।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রোঁ সেপ্টেম্বর মাসে নাইজার থেকে এই বছরের মধ্যে সমস্ত ফরাসি সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিলেন। পাশাপাশি বলা হয়েছিল, প্রথম দলটি অক্টোবরে দেশটি ত্যাগ করবে।
এর আগে নাইজারের সেনাবাহিনী গত সপ্তাহে বলে, শুক্রবারের মধ্যে সমস্ত ফরাসি সৈন্যের প্রত্যাহার সম্পন্ন হবে। দেশটির ফ্রান্সের সাবেক মিত্র ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ বাজুম এখনও গৃহবন্দি রয়েছেন।